রাজ্য জুরে পালিত ঈশ্বরচন্দ্রের ১৯৯তম জন্মজয়ন্তী - আরশি কথা

আরশিকথা ঝলক

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

রাজ্য জুরে পালিত ঈশ্বরচন্দ্রের ১৯৯তম জন্মজয়ন্তী

তন্ময় বনিক,আগরতলাঃ
 রাজ্য জুরে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে স্মরণ করা হয়েছে। এবছর ১৯৯তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন করা হয়। রাজ্যে সরকার বদলের পর এবারই প্রথম ঘটা করে ঈশ্বরচন্দ্রের জন্মজয়ন্তী উদযাপন করতে দেখা গিয়েছে। বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে বুধবার(২৬শে সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজ্যভিত্তিক মূল অনুষ্ঠান হয় রবীন্দ্র ভবনে। 
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বনমন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শুধু বাঙালি সমাজেই নয় সমগ্র বিশ্বের কাছে সমাদৃত। তার দর্শন, চিন্তা চেতনা আজকের দিনেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। অসাধারণ মেধার জন্য তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি পেয়েছেন। আজীবন তিনি সমাজ সংস্কারক হিসেবে কাজ করে গেছেন। অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সম্মাননাপ্রাপ্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ডঃ জগদীশ গণ চৌধুরী, শিক্ষাবিদ মানিক দেব, উচ্চশিক্ষা ও বুনিয়াদী শিক্ষা অধিকারের অধিকর্তা অমিত শুক্ল, মধ্যশিক্ষা অধিকারের অধিকর্তা ইউ কে চাকমা, ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ডঃ অরুণোদয় সাহা সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয়। ঈশ্বরচন্দ্রের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। 
 
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে। এদিকে এডি নগরস্থিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আবক্ষ মূর্তির সামনেও সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ। তিনি পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্রের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান। মন্ত্রী শ্রী নাথ বলেন, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের তীক্ষ্ণ মেধা ছিলো। তিনি নারী শিক্ষার উপর বেশী গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তারপর বিধবা বিবাহ চালু করেন। এডি নগর ৬নং রোডস্থিত বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগেও এই ১৯৯তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন করা হয়েছে। হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। তাতে বিভিন্ন সাজে সজ্জিত হয়ে স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয়। প্রসঙ্গত, ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর স্ত্রীর নাম দীনমণি দেবী। একমাত্র ছেলের নাম নারায়ণ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ছিলেন দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, লেখক, প্রকাশক এবং সমাজ সংস্কারক। পশ্চিমবঙ্গের ঘাটাল এর বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র। ১৮৯৯ সালের ২৯ জুলাই ৭০ বছর বয়েসে পৃথিবী মায়া ত্যাগ করেন এই মহান মানুষটি। 

ছবিঃ সুমিত কুমার সিংহ
২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং      

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here