" সাধারণ মানুষের জন্য আওয়াজ উঠুক।চলুক"....... প্রধান সম্পাদক, আরশিকথা - আরশি কথা

আরশিকথা ঝলক

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০

" সাধারণ মানুষের জন্য আওয়াজ উঠুক।চলুক"....... প্রধান সম্পাদক, আরশিকথা


রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি করোনাময়।ভয়,ভীতি,উদ্বেগ,আশংকা,দুশ্চিন্তা ইত্যাদি জীবনকে পিছিয়ে রাখার যাবতীয় মাধ্যম এই ভাইরাসের সঙ্গী।বর্তমান পৃথিবীতে মহামারী বা অতিমারিতে থাকা এই রোগে আক্রান্ত বহু।মৃত্যুসংখ্যাও অনেক।সুস্থতার হারও লক্ষণীয়।সরকারি ও বেসরকারি স্তরে সাধারণ ও অসহায় মানুষের চিন্তা করছেন এবং পাশে থাকছেন সবাই।একে ওপরকে সুরক্ষায় রেখে ওপরকে বাঁচানোর দায়িত্বজ্ঞানেও অনেকে মানবিক ও সামাজিক বোধের পরিচয় রাখছেন।ইতিহাস যেমন অনেক ভয়ংকর তথ্য দেয় তেমনি অনেক জয় করার কথাও জানায়।তথ্য জেনে জয়ের কথা জানতে আমি বেশি আগ্রহী।আমি বিশ্বাস করি সমস্যা থাকলে সেখানে সমাধান থাকবেই।সমাধান খুঁজতে ধৈর্য,জেদ,ইচ্ছা ও আন্তরিকতা দরকার।

প্রথম কথা হলো সাধারণ মানুষের জীবন খুব অসহায় থাকে।তাকে তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে প্রতি মুহূর্তে লড়াই চালিয়ে যেতে হয়।সব ক্ষেত্রেই বিপদ তাকে আগে ছোঁয়।তাই অভিভাবকদের সবার আগে তাদের কথা ভাবা উচিত।এটাই ঠিক যে সবাইকে তাদের অধিকারে থাকা সুন্দর সুস্থ্ জীবন প্রদান করা যেকোনো সরকার বা অভিভাবকের প্রাথমিক কাজ।এইজন্যই সাধারণ জনগণ সরকার আনে আর সরকার বদলায়ও।আজ অবধি এমন কোন সরকার গঠন হয়নি যাদের প্রতি আঙুল ওঠেনি।আসলে আঙুল ওঠানো পাপ নয়।এটা ভুলের শুদ্ধিকরণের একটা মাধ্যম।অভিভাবককে তা বুঝতে হবে।অভিভাবক হতে চাওয়া মানুষের সব ও সবাইকে বুঝেই চলতে হবে।বাকি আমরা যারা জীবন উপভোগ করতে এসেছি...কাজ করতে এসেছি...সৃষ্টি করতে এসেছি...ভালোভাবে নিজ আনন্দে জীবন কাটাতে এসেছি... পরের জন্য জীবন দান করতে এসেছি তারা নিজ নিজ কাজে থাকাটাই শ্রেয়।যদি এরা বাধা পায় কিংবা ক্ষতিগ্রস্থ হয় আঙুল ওঠাবেই এটাই সত্যি।মেনে চলাটাই মূল ভাবনা পাশাপাশি অবস্থার প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করাটাও মূল কাজ।উপদেশ নয় সত্য বচন।কেউ আওড়ায় কেউ মেনে চলে...পালন করে।
করোনার প্রাদুর্ভাবে চারিদিকে নানা বিপর্যয়।একদিকে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি,মৃত্যুর হার বাড়ছে পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবন ছন্দহীন।আর একটা বিষয় আরও ভয়ানক।রোজগারে ধস।এমতবস্থায় সরকার কিছু ভাবছেনা,করছেনা এটা ঠিক মানতে কষ্ট হয়।মানুষই সরকারে থাকে।তারা লালন পালনের পাশাপাশি মানবিক থাকবেন এটাই সাধারণ মানুষ হিসেবে আশা করি।লালন পালনে ভুল ভ্রান্তি থাকে।যদি থাকে শুধরে নেওয়াই আগামীর জন্য ভালো।আর অবশ্যই সাধারণ মানুষের জন্য খুব ভালো।
বিনা চিকিৎসায় কিংবা অনাহারে অথবা হিংসা ও লোভে সাধারণ মানুষের ক্ষতির কথা অভিভাবকের ভাবতেই হবে।বিংশ শতাব্দি পেরিয়ে এতো উন্নত পৃথিবীতে এসব বিষয় আজও কেন সমূলে উৎখাত হলোনা তাই ভাবি।আমি অসহায়।দুর্বল।ক্ষমতাহীন সাধারণ মানুষ।সরকার বানাই আমার দেখভালের জন্য।এর বেশি কিছু বুঝিনা। বুঝতেও চাইনা।সরকার করবে বা দেখবে এই বিশ্বাস আমাদের শক্তি যোগায়।স্বপ্ন দেখায়।সাধারণ মানুষের স্বপ্ন বড় রঙিন।সরকার আমাদের ভালো রাখতে সচেষ্ট এই ভাবনায় আমাদের উদ্বুদ্ধ করাটাও সরকারের কাজ।বাকি সরকার কিংবা বিরোধী অথবা আর কেউ যারাই সমস্যা জিইয়ে রাখার খেলায় থাকবেন সময় এবং এই সাধারণ মানুষই তার উত্তর একদিন দেবে।
অতএব,সাধারণ মানুষের জন্য আওয়াজ উঠুক।চলুক।গঠনমূলক আলোচনায় ভুল থাকলে ধরিয়ে দেওয়া হোক।মানুষের সরকার চলুক।এসবের পাশাপাশি করজোড়ে অনুরোধ চলুন সবাই নিজেকে সুন্দর ও সুস্থ্য সুরক্ষা বলয়ে রাখি যাতে অপর ক্ষতিগ্রস্থ না হয়।সরকার কিংবা বিরোধী যারাই কাজ করতে চান তাদের সঙ্গে থাকি।

# মতামত সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত।ভিন্নতা থাকতেই পারে।

@ ভালো থাকুন।সুস্থ্ থাকুন।সচেতন থাকুন।


প্রধান সম্পাদকের কলমে

৩১শে আগস্ট ২০২০

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here