বইমেলার উদ্বোধনী মঞ্চে কাশ্মীরে নিহত সৈনিকদের পরিবার পিছু দুই লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর - আরশি কথা

আরশিকথা ঝলক

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শুক্রবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

বইমেলার উদ্বোধনী মঞ্চে কাশ্মীরে নিহত সৈনিকদের পরিবার পিছু দুই লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

তন্ময় বনিক, আগরতলাঃ
 আগরতলা বইমেলার উদ্বোধনী মঞ্চে দাঁড়িয়ে কাশ্মীরে জঙ্গিদের আক্রমণে নিহত সিআরপিএফ  জওয়ানদের পরিবার পিছু দুই লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরা সরকার ও ত্রিপুরাবাসী নিহত জওয়ানদের পরিবারের পাশে আছে। তিনি তার ভাষণের শুরুতেই নিহত জওয়ানদের স্মৃতিচারণ করেন। মুখ্যমন্ত্রী তার স্বল্প সময়ের ভাষণে ১২দিন ব্যাপী বইমেলায় সবাইকে আসার যেমন আহবান জানান তেমনি অন্তত একটি বই কিনে নিয়ে ঘরে রাখার পরামর্শ দেন। 
শিশুদের চাহিদার কথা ভেবে তার পছন্দমতো বই কিনে দেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন অভিভাবকদের। কারণ একটি শিশুর সাহিত্য-উপন্যাসের বই ভালো নাও লাগতে পারে। শিশুর কাছে হয়তো পছন্দ হতে পারে টম এন্ড জেরি কিংবা কোনও হাস্যকৌতুকের বই কিংবা সহজ কোনও গল্পের বই। মুখ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে বইমেলার উদ্যোক্তা কমিটিকে শুভেচ্ছা জানাতেও ভোলেননি। শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ তার বক্তব্যে বলেন, কবি সাহিত্যিক হওয়া খুবই কঠিন কাজ। অধ্যবসায়ের মাধ্যমে কেই বৈজ্ঞানিক হতে পারেন কিন্তু ইচ্ছা করলেই কেউ কবি সাহিত্যিক লেখক হতে পারেন না। কোনোটা হচ্ছে পাঠ্যপুস্তক কিংবা প্রতিযোগিতামূলক বই আর কোনোটা হচ্ছে নির্মল মনের আনন্দ পাওয়ার বই। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বই হচ্ছে আনন্দের প্রতীক, জ্ঞানের প্রতীক, ভালোবাসার প্রতীক। তিনি পরামর্শ দেন প্রিয়জনকে বই উপহার দেওয়ার জন্য। 
 শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে আগরতলার শিশু উদ্যানে শুরু হলো বারোদিন ব্যাপী ৩৭তম আগরতলা বইমেলা। এর উদ্বোধন করেন রাজ্যপাল কাপ্তান সিং সোলাঙ্কি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী,উপমুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন রাজস্বমন্ত্রী এন সি দেববর্মা, বিধায়ক আশিস কুমার সাহা, শিক্ষাবিদ ডঃ অরুণোদয় সাহা সহ অন্যান্যরা। 
আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে বইমেলা। তবে এবছর প্রথমদিনই পুস্তকপ্রেমীদের ভীড় লক্ষ্য করা গেলেও একটি স্টলেরও সাজানো গোছানোর কাজ শেষ হয়নি। কোনও স্টলে শ্রমিকরা বাঁশ-কাঠ লাগাতে ব্যস্ত তো কোনও স্টলে কাপড় লাগানোর কাজ চলছে। মেলা প্রাঙ্গণে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বাঁশ,কাঠ,কাপড়, পিন পেরেক ইত্যাদি। ব্যবসায়ী ও প্রকাশকরা তাদের বইয়ের পসরা এখনও সাজিয়ে উঠতে পারেন নি। প্রসঙ্গত এবছর মেলায় ১৫০টি স্টল খোলা হয়েছে।     

ছবিঃ সুমিত কুমার সিংহ

১৫ই ফেব্রুয়ারি ২০১৯ইং

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here