রাজ্য সরকারের বর্ষপূর্তিতে কাজের সাফল্য তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী - আরশি কথা

আরশিকথা ঝলক

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শনিবার, ৯ মার্চ, ২০১৯

রাজ্য সরকারের বর্ষপূর্তিতে কাজের সাফল্য তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী

তন্ময় বনিক,আগরতলাঃ
 বিজেপি-আইপিএফটি সরকারের সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা হলো ৩৭ লক্ষ ত্রিপুরাবাসীর যে সরকার রয়েছে প্রথমবার মানুষ তা উপভোগ করছে। স্বনির্ভর ত্রিপুরা বানানোর যে স্বপ্ন সেদিকেই এগোচ্ছে রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে রবীন্দ্র ভবনের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এই কথাগুলি বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। 
 সরকারের কাজের এক বছরের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সামাজিক ভাতা দুই হাজার টাকা করা হবে বলা হয়েছে। এবারের বাজেটে তা এক হাজার টাকা করা হয়েছে। সপ্তম বেতন কমিশন লাগু করা হয়েছে কর্মচারীদের জন্য। প্রশংসা করেন শিক্ষামন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী সহ বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রীদের। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে গত ৩ মার্চ সারা রাজ্যে একযোগে বিভিন্ন স্কুলগুলিতে শিক্ষক-অভিভাভক সম্মেলন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বিভিন্ন হাসপাতালে বিনামূল্যে রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা নিরীক্ষা চালু করা হয়েছে।
 মুখ্যমন্ত্রী এদিনও বলেন, রোজগার মানে সরকারি চাকরি নয় তা ত্রিপুরাবাসীকে বোঝাতে পেরেছে সরকার। পূর্বতন সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিজেপি-আইপিএফটি সরকার আসার পর এক বছরে দুই লক্ষ ১৫ হাজার গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এই সরকার রঙ দেখছে না। 
সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের যারা প্রমাণ চান তাদেরকেও এক হাত নেন মুখ্যমন্ত্রী। বক্তব্যে পুনরায় মোদি সরকারই আবার ক্ষমতায় আসছে বলে অভিমতও ব্যক্ত করেন তিনি। এদিকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী এক বছর আগে রাজকোষ ঘাটতির কথা তুলে বলেন, অর্থমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমদিন মহাকরণে গিয়ে দেখেন ১৬০০ কোটি টাকার ঘাটতি। ১২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা দেনা। অর্থাৎ শূন্য নয় মাইনাস থেকে শুরু করে রাজ্য সরকার। তা সত্বেও রাজ্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গড়ছে। এই সরকার চায় মানুষকে সরকারের কাছে নয় সরকার মানুষের কাছে পৌঁছাক। অটল জল ধারা যোজনায় প্রতিটি বাড়িতে বিনামূল্যে জলের সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। এফসিআই কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করছে। 
রাজস্বমন্ত্রী এন সি দেববর্মা বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার সবার জন্য কাজ করে। মানুষের যা পাওনা তা দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। বঞ্চিত পাহাড়ি-বাঙালিদের কাছে রাজ্য সরকার পৌঁছুবে বলে আশ্বাস দেন। 

এদিনের সমাবেশে বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ, পর্যটন মন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়, রাজ্য বিজেপি'র সহ সভাপতি সুবল ভৌমিক ও আশিস কুমার সাহা, সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষামন্ত্রী সান্তনা চাকমা সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি'র প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা নেত্রীরাই । সমাবেশে বিজেপি'র বিভিন্ন মণ্ডল থেকে কর্মী সমর্থকরা আসেন। বক্তাদের প্রত্যেকেই বিগত এক বছরে রাজ্য সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। 

ছবিঃ সুমিত কুমার সিংহ

৯ই মার্চ ২০১৯ইং   

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here