বিশ্ব তামাক বিরোধী দিবস ও আমরা : ডাঃ অরূপ রায় বর্মণ,ত্রিপুরা - আরশি কথা

আরশিকথা ঝলক

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শনিবার, ৩০ মে, ২০২০

বিশ্ব তামাক বিরোধী দিবস ও আমরা : ডাঃ অরূপ রায় বর্মণ,ত্রিপুরা


প্রতি বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আহবানে ৩১শে মে দিনটিতে সারা বিশ্বে তামাক বিরোধী দিবস উদযাপন করা হয়। এই দিনটি নানা কারনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কারন বিশ্বে তামাকের ব্যবহারকে এখন মহামারী হিসেবেই দেখা হয়। প্রতি বছর প্রায় ৭ মিলিয়ন তামাক ব্যবহারকারী শুধুমাত্র তামাক ব্যবহারজনিত নানা রোগের কারনে মারা যান। তামাকের গুরুত্ব সমন্ধে বোঝার জন্য আমাদের কেবল তামাকব্যবহারজনিত রোগের তালিকাটি দেখলেই যথেষ্ট।
কারন এই রোগের মধ্যে রয়েছে ক্যান্সার, মধুমেহ, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, রক্তনালীকার রোগ ইত্যাদি।  আবার আধুনিক মহামারী কোভিড১৯ এর প্রসঙ্গেও তামাক একটি গুরুত্বপূর্ন সমস্যার তৈরি করছে। কারন যারা তামাক ব্যবহারজনিত নানা রোগে ভুগছেন বা ফুসফুসের কর্মক্ষমতা নষ্ট করে ফেলেছেন তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু কোভিড১৯ এর সমস্যা অনেকটা বাড়তি ঝুঁকি বয়ে আনছে।
তামাককে কেবল দুটো ভাগে ভাগ করলেই নানা রকমের তামাকের একটি তালিকা পাওয়া যায়। একটি ভাগে রয়েছে ধোঁয়াযুক্ত তামাক যেমন বিড়ি, সিগারেট, হুঁকো ইত্যাদি আরেকটি ভাগে ধোঁয়াবিহীন তামাক যেমন জর্দা, সাদা, গুটখা, নস্যি ইত্যাদি। সমস্ত ধরনের তামাক ক্ষতিকারক।
তামাক মৃদুভাবে উত্তেজক ও অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে নেশার আকর্ষন বজায় রাখে। সুপারী যদিও তামাক নয়, তবু তামাকের মতোই ক্ষতি করে। অনেকেই তামাক ও মদ দুটোই ব্যবহার করেন। এতে ক্ষতির পরিমান সরাসরি বেড়ে যায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতি বছর একটি বিশেষ উদ্দেশ্যের লক্ষ্য নিয়ে এই দিনটিকে পালন করেন। এই বছরের লক্ষ্য বলা হয়েছে যুব সম্প্রদায়কে তামাকের নেশা ও ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছেন যে তামাক ব্যবহারকারীরা তামাক ব্যবহারজনিত নানা রোগের শিকার হয়ে খুব বেশী সংখ্যায় মারা পরছেন।
আর এতে তামাকের ব্যবসাতে টান পড়ছে। তাই তামাকের বেপারীরা এখন যুব সমাজকে নিশানায় এনেছে ও তাদের মধ্যে তামাকের বিক্রি বাড়ানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তারা তামাকের মোড়ককে আরো আকর্ষনীয় করে তুলছে, কৃত্রিম সুগন্ধের ব্যবহার করছে, বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের ব্যবহার করছে। আবার কম ক্ষতিকারক তামাকের মিথ্যে তত্ব বাজারে আনছে।
এই ধরনের প্রয়াসকে ধ্বংস করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সবার কাছে আহবান জানাচ্ছেন।


ডাঃ অরূপ রায় বর্মণ
এম ডি, ডি এন বি, এম ফিল 
ত্রিপুরা

ছবিঃ সৌজন্যে ইন্টারনেট
৩০শে মে ২০২০

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here