কক্সবাজারে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা - আরশি কথা

আরশিকথা ঝলক

Home Top Ad

test banner

Post Top Ad

test banner

বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২০

কক্সবাজারে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

আবু আলী, ঢাকা ॥ করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের পর্যটন শহর কক্সবাজারে পর্যটক আগমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের প্রভাব কমাতে সরকার সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে কিছু কিছু অতি উৎসাহী পরিবারের লোকজন দেশের বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঘুরতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। যে কারণে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। জানা গেছে, করোনার প্রভাব থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষায় সরকার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে। কিন্তু লোকজন সরকারের এই মহৎ উদ্যোগের প্রতি সমর্থন না জানিয়ে দেশে দেশে ঘুরতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এরই প্রেক্ষিতে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে পর্যটক আগমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সরকারের এমন সিদ্ধান্তে ভরা মৌসুমেও অনেকটা পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। পাশাপাশি আগামী ২৬ মার্চের বন্ধের সময়কে কেন্দ্র পর্যটন শহরের চার শতাধিক হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউজসহ কটেজগুলোতে সবক'টি রুম কয়েকমাস আগে বুকিং হয়ে যায়। কিন্তু সম্প্রতি সময়ে করোনাভাইরাসের প্র্রভাবকে কেন্দ্র করে বুকিং বাতিলের হিড়িক পড়েছে। এই অবস্থায় বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলে জানালেন হোটেল ব্যবসায়ীরা। কলাতলীর মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে হোটেল কক্ষের বুকিং কমে গেছে। পাশাপাশি কয়েকমাস পূর্বে যে বুকিংগুলো ছিল তাও অনেকটা বাতিল হয়ে যাচ্ছে। পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বছরের মধ্য নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত কক্সবাজারে ভরা পর্যটন মৌসুম। এ সময়ে পর্যটকদের আনাগোনায় মুখরিত থাকে সমুদ্র সৈকতসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন পর্যটন স্পট। প্রতিদিনই কক্সবাজারে আগমন ঘটে অন্তত ৫০ হাজারেরও বেশি পর্যটকের। কিন্তু গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া রোগী শনাক্তের পর থেকে ভরা মৌসুমেও কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকের ঢলে ভাটা পড়েছে। এ ছাড়া বর্তমানে কক্সবাজারে বিদেশ ফেরত ৫ জন করোনাভাইরাসের আশঙ্কায় কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে বলে জানালেন সিভিল সার্জন। কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাসের আশঙ্কায় কক্সবাজারে পাঁচ বিদেশ ফেরত ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তবে সরকারি বিধিনিষেধ থাকার কারণে এর বাইরে আমার (সিভিল সার্জন) পক্ষে কিছু বলা সম্ভব না।

১৮ই মার্চ ২০২০

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

test banner