ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ে কোরবানির পশু পরিবহণ করবে - আরশি কথা

আরশিকথা ঝলক

Home Top Ad

test banner

Post Top Ad

test banner

মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০

ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ে কোরবানির পশু পরিবহণ করবে

আবু আলী, ঢাকা ॥ ঈদুল আযহা উপলক্ষে পশু ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে (বিআর) কোরবানির পশু পরিবহণ করবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে রেলওয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন রেল ভবনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন। 'আমরা ব্যবসায়ীদের প্রয়োজন অনুযায়ী মালবাহী ট্রেন পরিচালনা করব। প্রতিটি ওয়াগনে ১৬ থেকে ২০টি গরু বহন করা সম্ভব। প্রতিটি ওয়াগনের ভাড়া পড়বে ৩৩ থেকে ৩৪ হাজার টাকা।' 'এটি সবচেয়ে নিরাপদ পরিবহণ,' যোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, নাটোর, জামালপুর ও ময়মনসিংহের ব্যবসায়ীরা এই সুবিধা পাবেন। রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মিয়া জাহান জানান, সর্বশেষ ২০০৮ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে দেওয়ানগঞ্জ থেকে ঢাকায় গরু নিয়ে এসেছিল। রেলমন্ত্রী জানান, মিটারগেজের একেকটি লাগেজ ভ্যানে ১৬টি গরু পরিবহন করা সম্ভব। ব্রডগেজে ২০–২১টি গরুর ঠাঁই হবে। এমন একটি মিটারগেজ ট্রেন গাইবান্ধা থেকে চট্টগ্রামে গেলে ৩৩–৩৪ হাজার টাকা ভাড়া পড়বে। পাবনা থেকে ঢাকা এলে ভাড়া আরও কম লাগবে। সব মিলিয়ে একটি গরু ঢাকা আনলে দেড় থেকে দুই হাজার টাকার মধ্যে খরচ পড়তে পারে। চট্টগ্রামে গেলে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা লাগবে। শুধু গরুই পরিবহন করা হবে কি না, জানতে চাইলে নুরুল ইসলাম বলেন, ছাগল ও মহিষ পরিবহন করা যাবে। তবে উট ওঠানো যাবে না। রেলমন্ত্রী বলেন, ছাগলের জন্য আলাদা লাগেজ ভ্যান হবে। এক ভ্যানে বেশি পরিমাণে ছাগল পরিবহন করা যাবে। ভাড়াও সেভাবে নির্ধারণ করা হবে। ঈদে যাত্রীবাহী ট্রেনের চলাচল বাড়ানো হবে কি না, জানতে চাইলে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বলেন, আপাতত আর ট্রেন বাড়ানো হবে না। কারণ, তাঁরা করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষকে দরকার না হলে যাতায়াত না করতে বলছেন। সরকারও একই কথা বলছে। এ অবস্থায় ট্রেন বাড়ানোর কোনো যুক্তি নেই। করোনা পরিস্থিতি শুরুর পর প্রথমেই গত ২৪ মার্চ সারা দেশে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মালবাহী ট্রেন চালু থাকলেও খুব একটা চাহিদা ছিল না। এরপর এপ্রিলে শাক–সবজি পরিবহনে লাগেজ ভ্যান চালু করা হয়। ৩১ মে থেকে দেশে গণপরিবহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করার পর যাত্রীবাহী ট্রেন সীমিত আকারে চালু হয়। ১৯ জোড়া আন্তনগর ট্রেন চালুর পর যাত্রীর অভাবে ২টি ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। এখন ১৭ জোড়া ট্রেন চলাচল করছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালানোর লক্ষ্যে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে টিকিট বিক্রি হচ্ছে। গত ১ মাসের পরিসংখ্যান বলছে, অর্ধেক আসনেরও ২০–২৫ শতাংশ টিকিট অবিক্রিত থেকে যাচ্ছে। এ অবস্থায় জুনের মাঝামাঝি আরও কিছু ট্রেন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েও পিছিয়ে আসে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

৭ই জুলাই ২০২০

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

test banner