নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
এবার অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে জাতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে রাখলেও
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে দলের দুই বর্ষীয়ান সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন
এবং দোলা সেনকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিধানসভা নির্বাচনের ভরাডুবির দায় অভিষেকের। এই
দু’জনকে দায়িত্ব দিয়ে সেটাই সম্ভবত বুঝিয়ে দিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত,
মমতা বন্দোপাধ্যায়কে নেত্রী মানতে রাজি, কিন্তু অভিষেককে নয়। এমনই অভিমত তৃণমূল কংগ্রেসের
একাধিক বিধায়ক বা হেরে যাওয়া প্রার্থীদের। কান পাতলেই এই কথা শোনা যাচ্ছে দলের কাউন্সিলর থেকে শুরু করে পাড়ার
নেতাদের মুখে। কেউ কেউ একেবারে সোজাসাপ্টা ভাষায় বলে দিচ্ছেন, ‘অভিষেকের জন্যই দলটা
শেষ হয়ে গেল।’ কিন্তু সেই অভিষেক
বন্দোপাধ্যায়কে দলীয় পদে রেখে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তবে ক্ষমতা রইল না আর আগের
মত। কেন অভিষেকের ক্ষমতা খর্ব হল? এনিয়ে বাড়ছে জল্পনা। এবার অভিষেককে জাতীয় সাধারণ
সম্পাদক পদে রাখলেও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে দলের দুই বর্ষীয়ান
সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন এবং দোলা সেনকে। এনিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের ভরাডুবির
দায় অভিষেকের। আরও দু’জনকে দায়িত্ব দিয়ে সেটাই সম্ভবত বুঝিয়ে দিলেন মমতা। আবার কেউ বলছেন অন্য কোনও কারণ। হতে পারে, গ্রেফতারির
আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত তৃণমূলের সর্বময় নেত্রীর। তৃণমূলের অন্দরে অবশ্য অন্য
গুঞ্জন, যেভাবে বিভিন্ন মামলায় ক্রমশ ঘিরে ফেলা হচ্ছে অভিষেককে, তাতে গ্রেফতারও হতে
পারেন ডায়মন্ড হারবারের এই সাংসদ। পালাবদলের পর অভিষেকের বাড়ির নির্মাণের বৈধতা নিয়ে
প্রশ্ন তুলে দফায় দফায় নোটিস এসেছে কলকাতা পুর নিগমের তরফে। যদিও দুটি বাড়ির একটিও
অভিষেকের নামে নেই। তবে আশঙ্কা বেড়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তৎপরতায়।
সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিয়ে যায় ইডি। তারপরই আশঙ্কা
বেড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
akb tv news
06.06.2026

