৩১ জানুয়ারি নরসিংগড়স্থিত ভবনস্ ত্রিপুরা বিদ্যামন্দিরের এমবিবি অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় প্রাথমিক বিভাগের বার্ষিকর্তী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। কুলপতি কে.এম. মুন্সিজির প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এবং অতিথিদের উষ্ণ অভ্যর্থনার মধ্য দিয়ে আজকের অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। অনুষ্ঠানটির দুই পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও লেখক বিমলেন্দ্র চক্রবর্তী এবং নাট্যক্ষেত্রের বিশিষ্ট প্রযোজক ও পরিচালক পিনাক পানি দেব। সম্মাননীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত দিলেন বিশিষ্ট নাট্যকার ও অভিনেতা প্রবাল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ত্রিপুরার তথ্য ও সংস্কৃতি দন্তরের পুষ্পল দেব। এখাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী নীতা গোস্বামী, বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী শাশ্বতী দেব এবং নৃত্যশিল্পী অনুশা চক্রবর্তী। তাঁদের উপস্বিতিতে অনুষ্ঠানটি বিশেষভাবে মহিমান্বিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষা স্বপ্না সোম তাঁর স্বাগত ভাষণে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমের উপর আলোকপাত করেন যেখানে স্কুলের শিক্ষার্থীদের মনন বিকাশ ও পূর্ণাঙ্গ বিকাশের প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সম্মাননীয় অতিথিবৃন্দ নার্সারি থেকে যষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত বিভিন্ন সহ পাঠক্রমিক কার্যক্রম-নাচ, গান, আবৃত্তি, গীতা পাঠ, স্বতঃস্ফূর্ত বক্তৃতা, চিত্রাঙ্কন, অ্যাকশন রাইমস ইত্যাদি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে শংসা পত্র ও স্মারক তুলে দেন।
ভারতীয় কৃষ্টি ও সভ্যতার বিভিন্ন দিক ফুটে উঠেছে বিদ্যালয়ের কচিকাঁচাদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে যা উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে। উপস্থিত অতিথিবৃন্দও তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সমগ্র সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটিতে ছিল ভারতের প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক যুগের অপূর্ব মেলবন্ধন।পুরো অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন ভারতীয় বিদ্যাভবন, আগরতলা শাখার চেয়ারম্যান তথা অবসরপ্রাপ্ত আইএফএস দেবাশীস চক্রবর্তী। তিনি শিক্ষার প্রাথমিক পর্যায়ে দৃঢ় ভিত্তি গড়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং শিক্ষার্থীদের যত্ন ও উৎকর্ষতার সঙ্গে লালন-পালনের জন্য স্কুলের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং প্রধান শিক্ষিকা পাম্পি মজুমদারের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের বক্তব্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।


.jpeg)

.jpeg)
.jpeg)
.jpeg)