নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল রাজ্য অসমের নুমালিগড়
পরিশোধনাগার থেকে বাংলাদেশকে ডিজেল সরবরাহ
করে ভারত। শেখ হাসিনার সময়ে তথা ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে ভারত এবং বাংলাদেশের
মধ্যে ডিজেল কেনাবেচার দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পন্ন হয়েছিল। এরপরই ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপ লাইনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশকে
ডিজেল সরবরাহ করে ভারত। এছাড়াও জলপথে এবং রেলে বাংলাদেশে ডিজেল পাঠানো হয়।
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যে বাংলাদেশ চাইছে, ভারত বাড়তি ডিজেল প্রদান
করুক। সেটা দেওয়া সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখছে ভারত। একই আবেদন করেছে শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপও। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে
বিপর্যস্ত বাংলাদেশের জ্বালানি পরিকাঠামো।
কার্যত অন্ধকারে ডুবেছে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়। বড়সড় বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের
আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে প্রায় সব সার ফ্যাক্টরি। তবে ভারতের নিজস্ব
চাহিদা, মজুত করার পরিমাণ এবং পরিশোধনের ক্ষমতা খতিয়ে দেখে তবেই বাংলাদেশকে ডিজেল
দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নয়াদিল্লি। শনিবার এমনটাই জানিয়েছেন বিদেশ
মন্ত্রকের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল। তেল এবং গ্যাসের হাহাকারে বাংলাদেশের
বিভিন্ন প্রান্তে ছড়াতে শুরু করেছে হিংসা। ঝিনাইদহে পাম্প, বাস এবং অন্য গাড়ি
জ্বালিয়ে দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। প্রত্যেক
গাড়িকে সুনির্দিষ্ট রেশন করে তেল দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ
পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন। লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের
প্রায় সব পেট্রোল পাম্পে। তেলের মজুতদারি রুখতে পাম্পে নজরদারি চালাচ্ছে সে দেশের
সরকার। এদিকে বিদ্যুৎ বাঁচাতে বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করে দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রক।
akb tv news
14.03.2026

