নিজস্ব প্রতিনিধি,
ভিলেজ নামক মাইক্রো ফাইন্যান্স কোম্পানির প্রতারণার শিকার হল এক হতদরিদ্র পরিবার l এমনই এক টাকা আত্মসাধের চাঞ্চল্যকর ঘটনা উঠে আসল সাব্রুম মহকুমা, সাব্রুম আনন্দ পাড়া স্হিত বেসরকারি ভিলেজ নামক মাইক্রো ফাইনান্স কোম্পানির বিরুদ্ধে। সাতচাঁদ আর.ডি.ব্লকের অন্তর্গত থাইবুং গ্রাম পঞ্চায়েতের হতদরিদ্র বাসিন্দা জহর লাল দাস গত দেড় বছর আগে এই ভিলেজ নামক মাইক্রো ফাইন্যান্স কোম্পানির সাব্রুম ব্রাঞ্চ থেকে নব্বই (৯০) হাজার টাকা লোন নে ন। জহর লাল দাস যথারীতি লোনের ৪৬৫৬ টাকা করে মাসিক কিস্তি ঐ ব্যাংকের বর্তমানেও কর্মরত ব্রাঞ্চ ম্যানেজার অভিজিৎ সরকারের হাতে নগদ টাকা লোনের বইতে এমাউন্ট বসিয়ে তারিখ দিয়ে স্বাক্ষর করে নিয়ে আসতেন। এরমধ্যে দুটি কিস্তি ব্রাঞ্চ ম্যানেজার অভিজিৎ সরকারের গুগল প্লে তে দেওয়া হয়েছে বলে জানান। জহর লাল দাসের মেয়ে আগরতলায় কলেজে থার্ডইয়ারে পড়ে। হতদরিদ্র জহর লাল দাস মেয়ের কলেজের দুই(২) লক্ষ টাকা জমা দেওয়ার জন্য বন্ধন ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার জন্য এক প্রকার ফাইনালি কথাবার্তা শেষ করে আসেন। শুক্রবার জহর লাল দাস আবারো বন্ধন ব্যাংকে লোনের টাকার জন্য গেলে ব্যাংক থেকে বলেন আপনার সিভিল খারাপ। তখন জহর লাল দাস সাথে সাথে বলেন আমি ভিলেজ থেকে ৯০ হাজার টাকা একটি লোন নিয়েছি দেড় বছর আগে কিন্তু গত চার মাস আগে পুরো টাকা দিয়ে দিয়েছি। জহরলাল দাসের কেন সিভিল খারাপ তার জন্য সাথে সাথে জহর লাল দাস স্ত্রীকে নিয়ে ছুটে আসেন সাব্রুম ভিলেজ নামক মাইক্রো ফাইন্যান্স কোম্পানির সাব্রুম ব্রাঞ্চ অফিসে। ব্রাঞ্চ ম্যানেজার অভিজিৎ সরকার প্রথমে অস্বীকার করেন, এরপর সত্যতা স্বীকার করে নিলেন। ব্রাঞ্চ ম্যানেজার অভিজিৎ সরকার জহর লাল দাসের কাছে অনুরোধ জানান এই খবরটি যাতে কোথাও না যায় তার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করেন। ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জহর লাল দাসকে এই চলতি মাসের ১৬ তারিখ উনার লোনের ৯০ হাজার টাকা লোন একাউন্টে জমা দিয়ে সিভিল ঠিক করে দেবেন বলে জানান। এই ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে উনি সংবাদ মাধ্যমের সামনে কোন কথাই বলেন নি। ভিলেজ নামক মাইক্রো ফাইন্যান্স কোম্পানির সাব্রুম ব্রাঞ্চ অফিসের বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে আরো বহু পরিবার সর্বস্বান্ত হতে পারে l
akb tv news
12.06.2026

