নিজস্ব প্রতিনিধি,
SIR গেরোতে পড়লেন দিল্লির বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তও। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকেও SIR নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। হেভিওয়েটদের মধ্যে নোটিস প্রাপ্তদের তালিকায় নাম রয়েছে প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়, তাঁর স্ত্রী সুদেশ ধনকড়, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মদন লোকুর, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কপিল সিব্বাল, প্রাক্তন মন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম স্বামী, দিল্লির মন্ত্রী প্রবেশ সিংয়ের l SIR নিয়ে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। এবার এই SIR গেরোতে পড়লেন দিল্লির বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তও। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকেও SIR নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। হেভিওয়েটদের মধ্যে নোটিস প্রাপ্তদের তালিকায় নাম রয়েছে প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়, তাঁর স্ত্রী সুদেশ ধনকড়, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মদন লোকুর, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কপিল সিব্বাল, প্রাক্তন মন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম স্বামী, দিল্লির মন্ত্রী প্রবেশ সিংয়ের। শনিবার আপের তরফে জানানো হয়, দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরিওয়াল, ২৫ বছর বয়সি ছেলে পুলকিত কেজরিওয়াল, তাঁর বাবা গোবিন্দ রাম কেজরিওয়াল এবং মা গীতা দেবী, সকলকে এসআইআর নোটিস দেওয়া হয়েছে। কেজরিওয়াল ও তাঁর গোটা পরিবার নয়াদিল্লি বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দা। তাঁর বুথের মোট ১১০ জনকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। কেজরিওয়ালের পরিবারকে নোটিস দেওয়া হয়েছে ‘আনম্যাপড’ ক্যাটিগরিতে। সেই নিয়ে রীতিমতো রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে যায়। এরপরই প্রকাশ্যে আসে খোদ বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস দেওয়ার বিষয়টি। জানা গিয়েছে রেখা গুপ্ত এসআইআর নোটিস পেয়েছেন ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’তে। তাঁর বাবা বা মায়ের সঙ্গে বয়সের ফারাক ১৫ বছরের কম। আসলে একা রেখা গুপ্ত নন, দিল্লির প্রায় ৩৩ লক্ষ ভোটারের বাড়িতে নোটিস পৌঁছেছে। এ প্রসঙ্গে পরে মুখ খুলেছে নির্বাচন কমিশনও। তাঁরা জানিয়েছে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর নাম বাদ দেওয়া হয়নি। প্রথমে তাঁকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে আমাদের বিএলও বাড়ি গিয়ে ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে তাঁর নাম যাচাই করেছে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নাম বাদ পরার জন্য দায়ী তিনিই। কারণ তাঁর পরিবারের কেউ আগের SIR-এর সঙ্গে নাম ম্যাপ করেননি। এবার এসআইআর নোটিস পেলেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবানী, বিদেশমন্ত্রী এস জয়ংশংকর। তালিকায় রয়েছে একাধিক হেভিওয়েটদের নাম। সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনার এস. এস. সান্ধু, প্রবীণ কংগ্রেস সাংসদ কপিল সিব্বল, কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি এবং বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরিকেও এসআইআর নোটিস পাঠিয়েছে কমিশন। কিন্তু কী কারণে তাঁদের নোটিস পাঠানো হয়েছে ? জানা যাচ্ছে, নির্বাচনী নথিতে নামের বানানে গরমিলের কারণে নোটিস পেয়েছেন নির্বাচন কমিশনার এস. এস. সান্ধু। অন্যদিকে, পূর্ববর্তী এসআইআর-এর নথিপত্রের সঙ্গে নাম ম্যাপ না থাকার কারণে নোটিস পাঠানো হয়েছে সিব্বল এবং বিদেশসচিবকে। জানা গিয়েছে, হেভিওয়েট যাঁরা নোটিস পেয়েছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আগের এসআইআর-এর তথ্যের সঙ্গে গরমিল কিংবা ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র কারণে।
akb tv news
20.09.2026.
ছবি - নেট থেকে সংগৃহীত l

