নিজস্ব প্রতিনিধি,
বাংলায় প্রবাদ আছে, ‘’রাখে হরি মারে কে’’।এই
ঘটনায় এই প্রবাদটাই সত্যি হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে গুজরাটের আহমেদাবাদে ভয়াবহ বিমান
দুর্ঘটনায় অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে গিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক বিশ্বাস কুমার
রমেশ। ঘটনার পর এদিনই তাঁর সঙ্গে হাসপাতালে দেখা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
এরপর শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র
মোদি। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই আতঙ্কের সেই মুহূর্তের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বিশ্বাস
কুমার। তিনি বলেন, উড়ানের ঠিক ৩০ সেকেন্ড পরই সব শেষ। জানা গিয়েছে, ৪৫ বছর বয়সি বিশ্বাস
কুমার ১১এ সিটটিতে বসেছিলেন। যাত্রী ও ক্রু মেম্বার মিলিয়ে মোট ২৪২ জনের মধ্যে সম্ভবত
তিনিই একমাত্র জীবিত। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু
হয় তাঁর সহযাত্রী তথা ভাই অজয় কুমার রমেশের। তিনি বসেছিলেন অন্য রোয়ে। ভাইরাল হওয়া
ভিডিওতে দেখা যায়, হেঁটে হেঁটেই ধ্বংসপ্রাপ্ত বিমান থেকে বেরিয়ে আসছেন তিনি। তিনি জানান,
“টেক অফের ঠিক ৩০ সেকেন্ড পরই বিকট শব্দ শুনতে পেলাম। তারপরই বিমানটা ভেঙে পড়ল। ভীষণ
দ্রুত সবকিছু ঘটে গেল। আমি কীভাবে ওখান থেকে বেরিয়ে এলাম জানি না।এদিকে,” হাসপাতাল
সূত্রে জানা গিয়েছে, বুকে চোট পেয়েছেন বিশ্বাস কুমার। তবে এর মধ্যেও ধ্বংসস্তূপ থেকে
নিজের ভাইকে খুঁজে বের করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা থেকে বিশ্বাস
কুমার জীবিত অবস্থায় ফেরায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন তাঁর পরিবার। কিন্তু একইসঙ্গে তাঁরা
বিস্মিত। কীভাবে তিনি বেঁচে গেলেন, বুঝতেই পারছেন তাঁর বাড়ির লোকেরা।
Akb tv news
13.06.2025