নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
পয়লা
এপ্রিল বুধবার থেকে দেশজুড়ে শুরু হল জনগণনা। দুই ধাপে জনগণনা হবে। এর পাশাপাশি শুরু
হচ্ছে বাসস্থানের গণনাও। তবে জনগণনা শুরু হচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গে। এনিয়ে শুরু হয়েছে
নতুন বিতর্ক।ডিজিটাল জনগণনা ঘিরে
কেন্দ্র-রাজ্য বিতর্ক চলছে বহু সময় ধরে। জানা গিয়েছে, জনগণনা নিয়ে রাজ্য এখনও
বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। এব্যাপারে কেন্দ্রের রেজিস্ট্রার জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ জানিয়েছেন, বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গকে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, জনগণনা কেন্দ্রীয় বিষয়। ২০২৭ সালের এই জনগণনা দুই
ধাপে হবে, প্রথম ধাপ শেষ করার লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর।
এবারের জনগণনায় নাগরিকরা নিজস্ব নথিভুক্তকরণ-এর সুযোগ পাবেন। ডিজিটাল পদ্ধতিতে
নিজের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। জনগণনায় নথিভুক্ত করার জন্য পরিবারের বিস্তারিত
তথ্যের পাশাপাশি বাড়ি, সম্পত্তির তথ্য ও হিসেব উল্লেখ করতে হবে। এরপর জনগণনার
আধিকারিকরা প্রত্যেক বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য খতিয়ে দেখবেন। এরপর আবেদনপত্র আর
পরিবর্তন করা যাবে না। তা লক হয়ে যাবে। ১লা এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেনসাস বা জনগণনার প্রথম ধাপ চলবে। ৪৫ দিনের মধ্যে প্রথম ১৫
দিন থাকবে সেল্ফ-এনুমারেশনের জন্য। তারপর বাকি ৩০ দিনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য
সংগ্রহ ও যাচাই করা হবে। যারা নিজেরাই নিজেদের নথি পোর্টালে আপলোড করবেন, তারা
ইংরেজি ও ১৫টি ভারতীয় ভাষায় census.gov.in/se/- এ গিয়ে তথ্য আপলোড করবেন। ওটিপি
ভিত্তিক ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে সেল্ফ এনুমারেশন করা হবে। তথ্য আপলোড হয়ে গেলে, একটি
রেফারেন্স আইডি দেওয়া হবে। যখন কেন্দ্রের পাঠানো প্রতিনিধি বাড়িতে তথ্য যাচাইয়ের
জন্য যাবেন, তখন তাকে এই আইডি বলতে হবে। উল্লেখ্য, ২০১১ সালের পর এই প্রথম জনগণনা হচ্ছে। সাধারণত ১০ বছর পর
পর জনগণনা বা সেনসাস হয়। তবে করোনা কালে জনগণনা হয়নি। এই প্রথম ডিজিটাল জনগণনা হতে
চলেছে গোটা দেশে।
akb tv news
01.04.2026

