(এসেছে প্রভাত এসেছে।
তিমিরান্তক শিবশঙ্কর
কী অট্টহাস হেসেছে !
যে জাগিল তার চিত্ত আজিকে
ভীম আনন্দে ভেসেছে ॥ ---বিশ্বকবি )
বিশ্বকবি,আপনি জানতে পারলেন না,
শতায়ুজীবীর বছরবিশেক আগেই থেমে ;
সারা শিলচর বরাক উপত্যকার প্রাণে,
আপন হতে বাহির হয়ে আপনি ছিলেন।
সেই এগারো জনের মরণ অমর হল...
ফুল ফুটলো বাঁজা গাছের শীর্ষডালে ;
ভাষাজননীর অন্নের স্বাদ বর্ণমালায়,
মেধাবী আর অমোঘ তেজের ঝলসানিতে ।
ভাটিখানার নেশাতে নয়, অন্য প্রাণের মেলায় ;
শুক্লপক্ষ গর্ভে ধারণ করেছিলো যে ভোর ,
সেই সকালে সব সকালের যৌবনদূত মিলে,
চালাও বুলেট-- বলে পেতে দেয় সাহসী হৃৎপিণ্ড !
সেই থেকেই তো রবিঠাকুর, একাগ্রতায় ফিরি ;
উনিশ-একুশ এক করে দেয় মিছিল মিছিল মিছিল...
ভাষা আমাদের স্বাধীন চিন্তা, দর্পিত ঢেউ !
এই দুনিয়ার সব ভাষাই তো মায়ের ভাষা ।
আমরা যখন ঘরবন্দী খাঁচার পাখি,
সেই এগারোর শেষ নিঃশ্বাস জেনো ডাকবেই--
বাঁচবো এবং সব ভাষাকেই বাঁচিয়ে রাখবো ,
প্রতিবাদের স্পর্ধায় তো আপনি থাকেন, বিশ্বকবি।
আরণ্যক বসু
স্বনামধন্য কবি
কোলকাতা
আরশিকথা সাহিত্য বিভাগ
১৯- ০৫- ২০২৬


