নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
তৃণমূল কংগ্রেসে একের পর এক ভাঙনের চিত্র যতই সামনে আসছে ততই যেন কংগ্রেসের সাথে নৈকট্য বাড়তে শুরু করেছে । এ যে শুধু বলার জন্য বলা তা কিন্তু নয়। মঙ্গলবার ১০ জনপথে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেছেন সোনিয়া গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । আর এরপর দিন রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে ১০ জনপথে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুই দলের দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে প্রায় ঘণ্টা দেড়েকের বৈঠক হয়। পরপর দু’দিন দুই দলের সর্বোচ্চ স্তরের নেতাদের বৈঠক ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা ছড়াচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। যদিও বলাবলি হচ্ছে বাংলার বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, তৃণমূলের ভবিষ্যৎ, সম্ভাব্য ভাঙন এবং বিরোধী রাজনীতির নতুন সমীকরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে রাহুল এবং অভিষেকের মধ্যে। তৃণমূল সূত্র বলছে, কীভাবে বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ করে ইন্ডিয়া জোটকে আরও সুদৃঢ় করা যায়, সেটাও আলোচ্য বিষয় ছিল রাহুল ও অভিষেকের মধ্যে। একদিন আগে ঠিক এই ইস্যুতেই দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছেন সোনিয়া এবং মমতা। স্বাভাবিকভাবেই দুই দলের শীর্ষস্তরে পরপর আলোচনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা অঙ্ক কষছে। দেখা যায় যে একটা সময় যে কংগ্রেসকে একপ্রকার তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতেন অভিষেক-সহ তৃণমূল নেতারা, এখন সেই কংগ্রেসের হাত খড়কুটোর মতো ধরে ‘বাঁচা’র চেষ্টায় মরিয়া মমতা-অভিষেকরা। এখানেই শেষ নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সদলবলে তৃণমূলকে কংগ্রেসের সঙ্গে মিলিয়ে দিতে পারেন এমন জল্পনাও শোনা যাচ্ছে রাজধানীর অন্দরে। কোনও কোনও মহলের বক্তব্য, মমতা ও অভিষেকের কংগ্রেসে যোগদান নিয়ে একপ্রকার আলোচনাও হয়েছে দুই দলের নেতাদের শীর্ষস্তরের বৈঠকে। কংগ্রেসের তরফেই নাকি মমতাকে ও অভিষেককে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলে যেভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে তাতে আগামী দিনে মমতা-অভিষেকের হাতে আদৌ দলের প্রতীক থাকবে কিনা এ নিয়েও সংশয় রয়েছে। আর সেটা যদি না থাকে তাহলে হয়তো কংগ্রেসের প্রস্তাব গ্রহণ করা ছাড়া উপায় থাকবে না এমনটাই গুঞ্জন। যদিও সময়ই বলবে সব । অপেক্ষা করা ছাড়া এখন আর কি আছে।
akb tv news
10.06.2026

