আরশি কথা

আরশি কথা

No results found
    Breaking News

    সুপ্রিম রায়ে ত্রিপুরার ১০ হাজারেরও বেশি শিক্ষকের চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তা।।AKB TV News

    আরশি কথা


     

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়ের জেরে ত্রিপুরার ১০ হাজারেরও বেশি শিক্ষকের চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। রাজ্যের সরকারি, সরকার-পোষিত এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক শিক্ষক এই রায়ের আওতায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গেছে।  সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকতার ক্ষেত্রে টেট উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক যোগ্যতা। অর্থাৎ, শিক্ষা অধিকার আইন (আরটিই), ২০০৯-এর আওতাভুক্ত শ্রেণিগুলিতে কর্মরত শিক্ষকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টেট পাশ করতে হবে। শিক্ষা দফতরের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, সরকারি ও সরকার-পোষিত বিদ্যালয়ে প্রায় ৮ হাজার শিক্ষক এই নির্দেশনার আওতায় পড়তে পারেন। এদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত, বাকিরা মাধ্যমিক স্তরে কর্মরত। সুপ্রিম কোর্ট তার রায়ে ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৮-কে শেষ সময়সীমা হিসেবে নির্ধারণ করেছে। ওই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের টেট উত্তীর্ণ হতে হবে। উচ্চশিক্ষা দফতরের সূত্রের খবর, বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। ফলে টেট উত্তীর্ণ হওয়ার প্রয়োজনীয়তা থাকা শিক্ষকের সংখ্যা আরও বাড়বে। বর্তমানে বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মোট কতজন শিক্ষক এই রায়ের আওতায় পড়ছেন, তার একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।  প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ ও ১৯৯৭ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত বিজ্ঞান শিক্ষক, ২০০৩ ও ২০০৭ সালের সহকারী শিক্ষক এবং ২০১২ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত বিজ্ঞান শিক্ষকদের একটি বড় অংশ এই রায়ের প্রভাবের মুখে পড়তে পারেন। তবে ৫৫ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষক এবং যাঁদের অবসরের বাকি সময় পাঁচ বছরের কম, তাঁদের এই বাধ্যবাধকতা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। ফলে ৫৫ বছরের কম বয়সী এবং এখনও টেট উত্তীর্ণ না হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এদিকে, সমগ্র শিক্ষা অভিযানের (সমগ্র শিক্ষা) অধীনে নিযুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এই রায় কতটা প্রযোজ্য হবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। কারণ তাঁরা নিয়মিত সরকারি কর্মচারী নন এবং কেন্দ্রীয় সিভিল সার্ভিস (কন্ডাক্ট) রুলস বা পৃথক কোনো পরিষেবা আচরণবিধির আওতায় পড়েন না। জানা গেছে সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষক ও কর্মচারী সংগঠনের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে শিক্ষক সংগঠনগুলি এই বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদনও জানিয়েছে।  এখন নজর রয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকদের উদ্বেগ নিরসনে রাজ্য সরকার কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং শিক্ষক-কর্মচারী সংগঠনগুলি এ বিষয়ে কোনো যৌথ কর্মসূচি গ্রহণ করে কি না। উল্লেখ্য, বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি মনমোহন-এর ডিভিশন বেঞ্চ ‘অঞ্জুমান ইশাআত-ই-তালিম ট্রাস্ট বনাম মহারাষ্ট্র রাজ্য’ মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন সংক্রান্ত একগুচ্ছ মামলার শুনানি শেষে এই গুরুত্বপূর্ণ রায় প্রদান করে।









    akb tv news 

    09.06.2026

    3/related/default