নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
পশ্চিম মুহুরীপুর এলাকায় একই বাড়ী থেকে রহস্যজনক অবস্থায় তিন জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় l ঘটনার বিবরনে জানা যায়, শান্তির বাজার মহকুমার পশ্চিম মুহুরীপুর এলাকার বাসিন্দা শঙ্কর চক্রবর্তীর বাড়ি থেকে শঙ্কর চক্রবর্তী ও উনার সহধর্মীনি ছবি চক্রবর্তীর মৃতদেহ রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অপরদিকে একই ঘরে শঙ্কর চক্রবর্তীর ছেলে কৃষ্ণ চক্রবর্তীর মৃতদেহও ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। লোকগুঞ্জনে শুনা যাচ্ছে ছেলে মা ও বাবাকে হত্যা করে নিজে আত্মঘাতী হয়েছে। তবে এই ঘটনা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বাইখোড়া থানা, বিলোনিয়া থানার পুলিশ সহ দক্ষিন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। শঙ্কর চক্রবর্তীর অপর ছেলে মিঠুন চক্রবর্তীর মাধ্যমে জানা গেছে, তার ভাই কৃষ্ণ চক্রবর্তী একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কাজ করে। সে অন্যান্য দিনের ন্যায় মত শুক্রবারও কাজে গিয়েছিল l কিন্তু শুক্রবার তারাতারি কাজ থেকে ফিরে এসেছে। বাড়ীতে ফিরে এসে মিঠুন চক্রবর্তীকে বলে উর বাবাকে ডেকে এনে স্নান করানোর জন্য l সকলে যাতে স্নান করে নেন। স্নান করে বাইরে বের হবে বলে জানান। পরবর্তী সময় সকলে স্নান সারলে মিঠুনকে উর কাকার বারিতে লকারের চাবি আনতে পাঠায়। মিঠুন চাবি আনতে গিয়ে ভাই ও মাকে ফোন করে l ফোনে না পেয়ে বারিতে ফিরে আসে। বারিতে এসে দেখতে পায় ঘরের দরজা জানালা লাগানো। মিঠুন সকলকে অনেক ডাকাডাকি করে না পেয়ে বাড়ীর পেছনের দিক দিয়ে জানালা দিয়ে দেখতে পায় ওর ভাই কৃষ্ণ ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। ভাইকে বাচাতে গিয়ে দেখতে দেখতে পায় তার মা গলা কাটা রক্তাক্ত অবস্থায় পরে রয়েছে ও তার পিতার মাথায় আঘাত করা হয়েছে। মা ও বাবা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে রয়েছে ও ভাই জুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। জানা গেছে, কৃষ্ণ চক্রবর্তী একটি মেয়েকে ভালোবাসত এবং তাকে কোর্ট মেরেজ করেছে। এনিয়ে ছেলের বাড়ীর লোকজনেরা সবকিছু মেনে নিয়েছে কিন্তু মেয়ের বাড়ী থেকে এই বিয়ে মেনে নিতে পারছেনা বলে জানা যায়। এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর পেছনে মেয়ের বাড়ীর লোকজনদের দায়ী করছে মিঠুন। জানা গেছে, তাদের পরিবারে কোন প্রকারের অশান্তি ছিল না। পুলিশের তদন্তক্রমে মৃত্যুর আসল রহস্য উঠে আসবে।
akb tv news
24.07.2026

