উঠে দাঁড়ান সোনম ওয়াংচুক স্যার
(তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা.../ চিরদিনের রবীন্দ্রনাথ)
বিদ্যাসাগর কখনো থ্রি ইডিয়টস দেখেননি।
লাদাক-লে ,প্যাংগং লেক -- না,তাও দেখেননি।
তবু, বাদুড়বাগান থেকে হাঁটতে হাঁটতে ,স্বামী বিবেকানন্দকে সঙ্গে নিয়ে এসে দাঁড়িয়েছেন, সংকল্পে অটল আপনার অনশন মঞ্চের নিঃশ্বাসের দূরত্বে । আপনার দৃষ্টিপ্রদীপ ঝাপসা হলেও, তাকিয়ে আছেন প্রথম আলোকে উদ্ভাসিত একটি ছায়াঘেরা পাঠশালায় ;
যেখানে বিদ্যাসাগর বর্ণের পরিচয়ে চির ভাস্বর,যেখানে স্বামীজি ধ্যানগম্ভীর।
বিদ্যাসাগর থেকে স্বামীজি,
রবীন্দ্রনাথ থেকে মেঘনাদ সাহা ,
নিবেদিতা থেকে বেগম রোকেয়া ,
ঋষি গৌতমের আশ্রম থেকে নালন্দা ,
পাঠশালা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ,
আপনাকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে যেতে এসেছে।
স্বামীজি উচ্চারণ করলেন --উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্ নিবোধত।
আবার বললেন ।
আবারও উচ্চারণ করলেন।
এবার সবাই মিলে বলে উঠলেন ।
তারপর সারা ভারত জুড়ে আওয়াজ উঠলো ।
তারপর শিক্ষার আলোয় উদ্ভাসিত দেশ,মহাদেশ , মহাপৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়লো-- উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্ নিবোধত ...
আপনি উঠে বসুন সোনম ওয়াংচুক স্যার।
আরও অনেক দিন বেঁচে থাকতে হবে আপনাকে।
বাঁচতেই হবে।
আরণ্যক বসু
আরশিকথা অতিথি কলাম
২০শে জুলাই ২০২৬

