নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
এবার ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, কার্ডিওভাসকুলার
ডিজিজ সহ একাধিক ওষুধের দাম কমিয়ে বা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে।এনপিপিএ-র নতুন নির্দেশিকায়
জানানো হয়েছে, ড্রাগস (প্রাইস কন্ট্রোল) অর্ডার, ২০১৩ -এর অধীনে ৩৯টি ক্রনিক বা জটিল
রোগের ওষুধের বিক্রয় মূল্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে।এতে গ্রাহকরা, যাদের প্রতি মাসে
হাজার হাজার টাকা খরচ হয় ওষুধের পিছনে, তারা অনেকটাই স্বস্তি পাবেন।জীবনদায়ী ও বহুল
প্রচলিত ওষুধ গুলিকে আরও সহজলভ্য করা হবে। এই সিদ্ধান্তটি বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি,
প্রবীণ নাগরিক এবং একাধিক দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্তদের সাহায্য করবে। তাই
ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ সহ একাধিক ওষুধের দাম কমিয়ে বা নির্দিষ্ট
করে দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি এনপিপিএ-র নির্ধারিত মূল্যের
চেয়ে বেশি দামে এই ওষুধগুলো বিক্রি করতে পারবে না।ওষুধের প্যাকেটের সর্বোচ্চ খুচরো
মূল্যে অবিলম্বে সংশোধন করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এমপাগ্লিফ্লোজিন + সিটাগ্লিপ্টিন + মেটফর্মিন হাইড্রোক্লোরাইড ট্যাবলেটের
দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ট্যাবলেট ১৪.৮৮ টাকা। সিটাগ্লিপ্টিন + গ্লাইমেপিরাইড
+ মেটফর্মিন হাইড্রোক্লোরাইড ট্যাবলেটের দাম শক্তি অনুযায়ী প্রতি ট্যাবলেট ১০.৩৯
টাকা থেকে ১১.৯১ টাকা। টেনেলিগ্লিপ্টিন + ডাপাগ্লিফ্লোজিন ট্যাবলেটের দাম নির্ধারণ
করা হয়েছে প্রতি ট্যাবলেট ১০.১৭ টাকা। অ্যাটোরভাস্টাটিন + ফেনোফাইব্রেট ট্যাবলেট,
যা মূলত কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়, তার দাম প্রতি ট্যাবলেট ১৮.৪৬ টাকা। ট্যাক্রোলিমাস
প্রোলংড-রিলিজ ক্যাপসুল, যা অঙ্গ প্রতিস্থাপনের পর শরীর যাতে প্রতিস্থাপিত অঙ্গ
প্রত্যাখ্যান না করে, সেই উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়, তার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি
ক্যাপসুল ১২৭ টাকা।ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-৩ ট্যাবলেটের দামও নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্যালসিয়াম
ও ভিটামিন-ডি৩ ট্যাবলেটের খুচরা মূল্য প্রতি ট্যাবলেট ৮.৯৩ টাকা (জিএসটি সহ)
নির্ধারণ করেছে। এই ট্যাবলেট গুলি সাধারণত প্রবীণ নাগরিক, মেনোপজ-পরবর্তী নারী এবং
হাড়ের দুর্বলতায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য চিকিৎসকেরা প্রেসক্রাইব করে থাকেন।তাতে
গ্রাহকরা কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে।
akb tv news
11.07.2026

