নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপি দলের সরকার গঠনের ক্ষেত্রে তিনিই কাণ্ডারি।
ক্রমশ তাঁর নামের বিস্তার হচ্ছে সমগ্র দেশে। এবার রাষ্ট্রীয় মহামন্ত্রী (ত্রিপুরা)
হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ত্রিপুরার পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব।
সম্প্রতি সর্বকনিষ্ঠ হিসাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হয়েছিলেন নীতীন নবীন। এবার পছন্দমত
‘টিম’ বেছে নিলেন তিনি। নবীনের নেতৃত্বে বিজেপির নতুন আধিকারিকদের নামের তালিকা প্রকাশ
হয় সোমবার। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া, স্মৃতি ইরানি ও
বিল্পব কুমার দেবের মত পরিচিত মুখ। সেই তালিকায় সবচেয়ে বড় চমক সম্ভবত বসুন্ধরা রাজে
সিন্ধিয়া। রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদ দিয়েছে বিজেপি।সংসদের
বাদল অধিবেশন শেষ হওয়ার পরই সাংগঠনিক রদবদল ঘোষণা হবে-দলীয় স্তরে এমন ইঙ্গিত আগেই দেওয়া
হয়েছিল। ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ এবং তার পরের
দিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দলীয় কর্ম
সূচি থাকায়
ঘোষণার জন্য সোমবারকেই বেছে নেয় বিজেপি। জানা গিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংগঠনে এক ঝাঁক নতুন
মুখকে জায়গা দেওয়া হতে পারে। বিশেষ নজর তরুণ নেতৃত্ব এবং মহিলা নেত্রীদের দিকে। অভিজ্ঞদের
সঙ্গে নতুন প্রজন্মের ভারসাম্য রেখে সংগঠনকে আরও সক্রিয় করাটাই এই রদবদলের লক্ষ্য।ত্রিপুরার
সাংসদ বিপ্লব কুমার দেবের কথা না বললে না হয়, তিনিই ত্রিপুরার দীর্ঘ ৩৫ বছরের বাম দুর্গ
ভেঙ্গে দেওয়ার কাণ্ডারি ছিলেন।২০১৮ সালে বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্টকে ধূলিসাৎ করে
দিয়ে রাজ্যে বিজেপি দল সরকার গঠন করে। এরপর ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী পদে আসিন হন বিপ্লব
কুমার দেব।এরপর মুখ্যমন্ত্রী পদ চলে যাওয়ার পর তিনি ত্রিপুরার পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা
আসনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন। এরপর একের পর এক করে গেছেন কাজ।এবার
রাষ্ট্রীয় মহামন্ত্রী (ত্রিপুরা) হিসেবে দায়িত্ব পেলেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পশ্চিম বাংলায় বিজেপি সরকার গড়ার ক্ষেত্রেও বিপ্লব
কুমার দেবের অবদান রয়েছে। সেই রাজ্যে ১৫ বছরের তৃনমূল সরকারকে ধূলিসাৎ করে দিয়ে ক্ষমতায়
এসেছে বিজেপি দল।
17.08.2026

