নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
লাগাতর বৃষ্টি ও গঙ্গার জলস্তর বৃদ্ধির জেরে বারাণসীতে তৈরি হয়েছে
বন্যা পরিস্থিতি। এরফলে বিপাকে পড়েছেন শহরবাসী। বৃহস্পতিবার বারাণসীর জেলা শাসক
সত্যেন্দ্র কুমার ও মেয়র অশোক তিওয়ারির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী
নরেন্দ্র মোদী। তাঁদের থেকে বিস্তারিত খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, এমনই খবর
সূত্রের। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছনোর
নির্দেশ দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। যেন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ হয়, এমন নির্দেশ
প্রধানমন্ত্রীর। পাশাপাশি ত্রাণ শিবিরগুলোতে যাবতীয় যা সুযোগ-সুবিধে লাগে, সব যেন
অবিলম্বে দেওয়া হয়, এমন কথাও বলেছেন নরেন্দ্র মোদী। এমনকি, এই অসহায় পরিস্থিতিতে
বিপদ অঞ্চল ও ত্রাণ কার্যের উপর যেন সারাক্ষণ নজর থাকে যোগী প্রশাসনের, এই
নির্দেশও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কেন্দ্রীয় জল কমিশনের তথ্য
অনুযায়ী, বারাণসীতে গঙ্গার সর্বোচ্চ জলস্তর ৭০.২৬ মিটার। এই মুহূর্তে নদীর জল বইছে
৭০.২৮ মিটার উচ্চতায়। আবার, বিপদসীমা ৭১.২৬ মিটার। প্রতি ঘন্টায় ২ সেমি করে বাড়ছে
জলস্তর। ফলে যেকোনও সময় বিপদসীমা অতিক্রম করে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে। এই
পরিস্থিতির উপরে নজর রাখছে প্রশাসন।এর আগেই বারাণসীর পুলিশ কমিশনার মোহিত আগরওয়াল
ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের
সঙ্গে কথা বলেছিলেন। এমনকি তাঁরা এনডিআরএফ-এর নৌকোতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাতে
পৌঁছেছিলেন। তাঁরা জমা জলের পরিমাণ ও বাসিন্দাদের অবস্থা খতিয়ে দেখতে সালারপুর,
সরাইয়া, কোনিয়া, পুল কোহনা এলাকাগুলি পরিদর্শন করেন। তাঁরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে
কথা বলেন ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁদের সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দেন। এর পাশাপাশি
আসি ঘাট থেকে কেশব ঘাট পর্যন্ত নৌকা চলাচল হচ্ছে। নদীতে যাতায়াতের উপরেও কঠোর
নজরদারি চালানো হচ্ছে। অবিরাম বৃষ্টির ফলে প্রশাসন একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ
নিয়েছে। তবে তার মধ্যেই বারাণসীর সাংসদ ও দেশের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের ফলে এই
মুহূর্তে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলির মধ্যে একটি হল বারাণসীর বন্যা।
akb tv news
03.08.2026.
ছবি- নেট থেকে সংগৃহীত।

