শহর আগরতলায় এখন ব্যাপক হারে ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে। রাজপথের পাশে এমনকি বিভিন্ন অলিগলিতে প্রচুর ফাস্টফুডের দোকান রয়েছে। রয়েছে বিভিন্ন বেকারি ও হোটেল। গ্রাহকরা ভিড় জমাচ্ছেন এই সমস্ত ফাস্টফুডের দোকানগুলিতে। দেদার ব্যবসা করছে হোটেল ও বেকারিগুলিও।
সন্ধ্যার পর শহরের বিভিন্ন জায়গায় ফাস্টফুডের দোকানগুলিতে ক্রেতাদের ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। কিন্তু এই সব দোকানে খাবারের গুণমান কতটা তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। খাবারের গুণমান যাচাইয়ে প্রশাসনের তরফে তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে কিছু নমুনা সংগ্রহ করা হলেও স্থায়ী ভাবে অভিযান চালানোর কোনো উদ্যোগ নেই। নেই কঠোর ভাবে আইন প্রয়োগের কোনো উদ্যোগ।
স্বাস্থ্য সচেতন মানুষরা মনে করেন ফাস্টফুডের দোকানের নানা রকম খাবার খেয়ে মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। নানা রকম পেটের রোগ সহ কিডনি, লিভার, কোলোস্ট্রল , পেনক্রিয়াস ইত্যাদি নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হতে হচ্ছে। অভিযোগ অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন করার দরুন মানুষ সেই খাদ্য গ্রহণ করে নানা রকম রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর জন্যে প্রয়োজন নিয়মিত যেন বাজারের খোলা খাদ্য সামগ্রী প্রশাসনের তরফে গুণমান যাচাই করা হয়।
বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনিক অভিযানে হোটেল, বেকারি ও ফাস্টফুডের দোকানগুলিতে ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া গিয়েছে। অস্বাস্থকর পরিবেশে খাবার তৈরী, পুরানো ও নিম্নমানের তেল, মেয়াদোত্তীর্ণ সামগ্রী দিয়ে খাদ্য তৈরির বহু অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু এই ধরণের অভিযান নিয়মিত না চালানোর ফলে বিক্রেতারা কতটা গুণমান বজায় রেখে খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ করছেন তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। সচেতন নাগরিকরা চাইছেন প্রশাসনের তরফে সাধারণ নাগরিকদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে নিয়মিত যেন এই ধরণের অভিযান চালানো হয়।
আরশিকথা ত্রিপুরা সংবাদ
৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

