নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
পানীয় জল ও স্বাস্থ্য বিধান দপ্তরের বিশালগড় ডিভিশনের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের
চেয়ারে বহাল থাকবেন সুবীর দাস। দপ্তরের একাংশ আধিকারিক সুবীর দাসকে সরিয়ে গৌতম ঘোষকে
বসানোর চেষ্টা করেন। বদলির নির্দেশ আসার পর বকেয়া বিল পাওয়ার ক্ষেত্রে বিলম্বের আশঙ্কায়
তিন দিন ধরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে প্রায় দেড় শতাধিক ঠিকেদার। জেলায় জল জীবন মিশনের
৩৭০ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। দুই বছর ধরে ফান্ড আসছিল না। সম্প্রতি ফান্ড আসতেই অর্থলোভী
আধিকারিকরা ভিন রাজ্যের এজেন্সি গুলোকে বিল মিটিয়ে দিয়ে কমিশন বাণিজ্য জম্পেশ করতে
এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সুবীর দাসকে বদলির নির্দেশ দেন। কারণ সুবীর দাস স্থানীয় ঠিকেদারদের
বকেয়া বিল পরিশোধের পক্ষে ছিলেন। এই কারণেই তাঁকে রোষানলে পড়তে হয়। কাঁঠালিয়ার এসডিও
গৌতম ঘোষকে তড়িঘড়ি এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের চেয়ারে বসিয়ে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির
ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এমতাবস্থায় শুক্রবার বর্তমান এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার অফিসে যাননি।
তিনি অসুস্থ। আইজিএম হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে বাড়িতে ছিলেন। রাতে খবর পান অফিসের
এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের নেইম প্লেট ভাঙচুর করে ফেলে দিয়েছে। এদিন বে-আইনিভাবে এক্সিকিউটিভ
ইঞ্জিনিয়ারের চেয়ারে বসেন গৌতম ঘোষ। নেইম প্লেট ভাঙচুরের খবর পেয়ে রাতেই অফিসে ছুটে যান এক্সিকিউটিভ
ইঞ্জিনিয়ার সুবীর দাস। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে সাংবাদিকদের
জানান। এছাড়া তিনি জানান বদলির নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ প্রদান করেছে হাই কোর্ট। দপ্তরের
বকেয়া কার্য সম্পাদন পর্যন্ত এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের চেয়ারে বহাল থাকবেন সুবীর দাস।
শুক্রবার সুবীর দাসের অনুপস্থিতর সুযোগে গৌতম ঘোষের চেয়ার দখল ইস্যুতে তিনি বলেন এটা
বে-আইনি।
17.10.2026.

