আরশিকথা'র উদ্যোগে গুণীজন সমাবেশে " সাংস্কৃতিক মিলন সন্ধ্যা " - আরশি কথা

আরশিকথা ঝলক

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

রবিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৮

আরশিকথা'র উদ্যোগে গুণীজন সমাবেশে " সাংস্কৃতিক মিলন সন্ধ্যা "

আগরতলা ডেস্কঃ
 ২১ নভেম্বর আগরতলা প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে স্মৃতিমধুর এক সাংস্কৃতিক মিলন সন্ধ্যার আয়োজন করে জনপ্রিয় অনলাইন বাংলা নিউজ পোর্টাল ' আরশিকথা '। ব্যতিক্রমী এই সন্ধ্যায় আরশিকথা'র সম্মানিত উপদেষ্টামণ্ডলী ও সদস্যসদস্যা সহ রাজ্যের গুণীজনেরা মঞ্চ এবং দর্শকাসন আলোকময় করে তুলেছিলেন। মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন প্রধান অতিথি তথা আগরতলাস্থিত বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার মো.সাখাওয়াৎ হোসেন, রাজ্যের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক তথা আরশিকথা সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি অগ্নি কুমার আচার্য, বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ড. আশিস কুমার বৈদ্য, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক ড. দেবব্রত দেবরায়, বিশিষ্ট কবি কল্যাণ গুপ্ত এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক তথা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অমিত ভৌমিক। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী হাইকমিশনের প্রথম সচিব মো.জাকির হোসেন ভুঁইয়া।  
রাজ্যের গুণীজনদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পরিপূর্ণ এই মিলনায়তন এদিন এক সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের বার্তা দেয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই রাজ্যের স্বনামধন্য সংস্থা সুরঝর্ণা পরিবেশিত ভারত ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের বন্দনায় গোটা হল মৈত্রীর আবহে মুখর হয়। অনুষ্ঠানস্থল যেন হয়ে ওঠে ত্রিপুরা ও বাংলাদেশের মিলনভুমি।  


 এদিন আরশিকথা'র তরফে পোর্টালের ত্রিপুরা নিউজ বিভাগের সহকারী বার্তা সম্পাদক তন্ময় বনিক মঞ্চে উপস্থিত বিশিষ্টজনদের উত্তরীয় এবং পুষ্পস্তবক দিয়ে বরণ করে নেন। 






  অতিথিরা মঞ্চে তাদের স্বল্প অনুভব ব্যক্ত করতে গিয়ে আরশিকথা'র নানা কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে তাদের সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন। স্বাগত ভাষণে আরশিকথা'র নানা পদক্ষেপ সহ বিস্তারিত তুলে ধরেন পরিচালক শান্তনু শর্মা। তিনি জানান সবার সহযোগিতাতেই আরশিকথা এগিয়ে চলছে। 






অনুষ্ঠানে আরশিকথা'র উপদেষ্টামণ্ডলীর তরফে বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার মো.সাখাওয়াৎ হোসেন সাহেবের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দিয়ে তাকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। 
অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ পর্বে উপস্থিত সহকারী হাইকমিশনের প্রথম সচিব মো.জাকির হোসেন ভুঁইয়া সাহেবকে উত্তরীয় ও পুষ্পস্তবক দিয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন আরশিকথা'র উপদেষ্টামণ্ডলী। এছাড়া আরশিকথা'য় নিজের অমূল্য লেখনীর দক্ষতায় সমৃদ্ধ প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য     রাজ্যের বিশিষ্ট সাংবাদিক অমিত ভৌমিককে " লেখনী সম্মান " প্রদান করা হয়। আরশিকথা'র পক্ষে তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার মো.সাখাওয়াৎ হোসেন। 

এছাড়া অনুষ্ঠানের প্রথমপর্বের শেষমুহূর্তে রাজ্যের বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী স্বর্ণিমা রায় বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনারকে কিছু উপহারসামগ্রী দিয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন। 
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে উপস্থিত রাজ্যের বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী, সাংস্কৃতিক সংস্থা, কবি এবং বাচিকশিল্পীরা তাদের নিজ নিজ পরিবেশনায় গান,কবিতা এবং শ্রুতিনাটকের আবহে সবার মন জয় করে নেন। এই পর্বের সূচনা করেন রাজ্যের স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক সংস্থা " পঞ্চনীড় " এর বিশিষ্ট শিল্পীরা। তারপর একে একে সবাই। ছিলেন রাজ্যের স্বনামধন্য বাচিক শিল্পী পিনাকপাণি দেব, শাওলি রায়, সাংস্কৃতিক সংস্থা সুরঝর্ণা, বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী অমর ঘোষ, পুষ্পিতা চক্রবর্তী, নন্দিতা সাহা,স্বর্ণীমা রায়,কবরী রায়, অনিন্দিতা বিশ্বাস, নতুন প্রজন্মের সঙ্গীতশিল্পী বিজিতা চন্দ এবং শ্রুতি নাটকে রাজ্যের বিশিষ্ট নাট্যকার কিংকর নারায়ণ দত্ত এবং সম্মানিত বাচিকশিল্পী সর্বাণী দাসদত্ত। স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন বিশিষ্ট কবি রতন আচার্য, শ্যামল কান্তি দে ও মৌসুমী কর।








গোটা অনুষ্ঠানে তবলায় সঙ্গদান করেন রাজ্যের বিশিষ্ট তবলাবাদক নারায়ণ বিশ্বাস। শুরু থেকে শেষ অবধি অনুষ্ঠানটিকে দক্ষতার সহিত পরিচালনা করেন রাজ্যের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শুভাশীষ কর। 
 সব মিলিয়ে এই আয়োজন এক স্মৃতিমধুর মিলন মেলা হিসেবেই সবার কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন আরশিকথা পরিবারের সকল সদস্যরা।

ছবিঃ নিজস্ব

২৫শে নভেম্বর ২০১৮ইং     

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here