"কেন্দ্র-রাজ্য-প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে ত্রিপুরার সমৃদ্ধি সম্ভব"...৭২তম স্বাধীনতা দিবসে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী - আরশি কথা

আরশিকথা ঝলক

Home Top Ad

test banner

Post Top Ad

test banner

বুধবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৮

"কেন্দ্র-রাজ্য-প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে ত্রিপুরার সমৃদ্ধি সম্ভব"...৭২তম স্বাধীনতা দিবসে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী

তন্ময় বনিক, আগরতলাঃ
 ত্রিপুরাবাসীর স্বপ্নপূরণে দায়বদ্ধ আমরা। কেন্দ্র-রাজ্য-প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে ত্রিপুরার সমৃদ্ধি সম্ভব। সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি, জনজাতিদের উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার কাজ করছে। ৭২তম স্বাধীনতা দিবসে রাজ্যের মূল অনুষ্ঠানে এই কথাগুলি বলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। বুধবার(১৫আগস্ট) আসাম রাইফেলস ময়দানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিগত পাঁচমাসে রাজ্য সরকারের কাজের খতিয়ান ও আগামীদিনের লক্ষ্য তুলে ধরেন। 
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষি বিমার প্রিমিয়াম রাজ্য সরকার বহন করার যে পরিকল্পনা নিয়েছে তাতে এক লক্ষ কৃষক লাভবান হবে। রাজ্যে ছয়টি জাতীয় সড়কের কাজ চলছে। প্রতিটি জেলায় শিল্প উদ্যোগী সহায়তা কেন্দ্র গড়া হয়েছে। প্রতিটি ঘরে পাকা শৌচালয় গড়ে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন বর্তমান শিক্ষাবর্ষ থেকে ট্রিপল আইটি এর কাজ শুরু হবে। ধর্মনগর ও বিলোনিয়ায় একটি করে এবং আগরতলায় দুইটি বি এড কলেজ গড়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষামন্ত্রী যেভাবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করছেন তার প্রশংসা করেন। তিনি রাজ্যবাসীকে নেশাজাত সামগ্রী ছেড়ে বাঁশ চাষ, সবজি চাষের পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, স্বপন দেববর্মা দেখিয়ে দিয়েছেন রাষ্ট্রের জন্য কাজ করতে হলে পদের দরকার হয় না। স্বাধীনতা দিবসের মূল অনুষ্ঠানে বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মা, রাজস্বমন্ত্রী এন সি দেববর্মা, শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ, পর্যটনমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়, ক্রীড়ামন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব, বনমন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া, সমাজকল্যানমন্ত্রী সান্তনা চাকমা, মুখ্যসচিব সঞ্জিব রঞ্জন, রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক এ কে শুক্লা সহ অন্যান্যরা। এবছর মার্চপাস্টে আর্মস ও নন আর্মস বাহিনীর মোট ১৮টি প্ল্যাটুন অংশ নেয়। 
এদিন পুলিশ পদকপ্রাপ্তদের সম্মানিত করেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা মনমাতানো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে। এর মধ্য দিয়ে ত্রিপুরার ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, জাতি-উপজাতির মধ্যে একতা ও দেশাত্মবোধ তুলে ধরা হয়। 

ছবিঃ সুমিত কুমার সিংহ
১৫ই আগস্ট ২০১৮ইং                  

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

test banner