প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে গণমূখী, পরিবেশবান্ধব, সাশ্রয়ী, উপযুক্ত ও টেকসই কৌশল এবং পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য প্রকৌশলীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘দেশের উন্নয়নকে দ্রুততর করতে আলোচনার মাধ্যমে কৌশল ঠিক করুন যাতে আমরা দেশকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।’
প্রধানমন্ত্রী আজ(১১ এপ্রিল) সকালে ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)’র ৬১তম কনভেনশনে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
আইইবি ঢাকা সেন্টার রাজধানীতে আইইবি সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে ‘প্রকৌশল ও প্রযুক্তির জন্য স্মার্ট বাংলাদেশ’ মূল প্রতিপাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।
শেখ হাসিনা বলেন, আপনাদের এই কনভেনশন যখন হয় তখন অতীতে বিভিন্ন সময়ে যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত তাদের যে কর্মকান্ড তার সাফল্য ব্যর্থতা সম্পর্কে পর্যালোচনা করবেন, বিশ্লেষণ করবেন। পাশাপাশি আমরা ভবিষ্যতে কীভাবে এগিয়ে যাব, আরও দ্রুত উন্নতি করতে পারবো সেই কৌশল কী হবে সেই বিষয়গুলোও আপনারা আলোচনা করবেন এবং সেই কৌশল নির্ধারণ করবেন। অন্তত আমরা যখন সরকারে আছি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবার ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারবো। সেটাই আমি আপনাদের কাছ থেকে আশাকরি।
শেখ হাসিনা বলেন, শুধুমাত্র একটা নির্মাণ কাজের জন্য যেন নির্মাণ করা না হয়, এটা আমার অনুরোধ। একটা কনষ্ট্রাকশন হলে কিছু লোক কাজ পাবেন কিছু কমিশন বা কিছু লোক নানা সুবিধা পাবেন সেটা যেন না হয়।
তিনি বলেন, ‘এর জন্য আমি আমার পার্লামেন্টারি পার্টির এমপিদেরও নির্দেশ দিয়েছি। সংসদে বলেছি, একনেক সভাসহ সব জায়গায় বলেছি। আর সে রকম যদি কোন প্রকল্প দেখি অবশ্যই আমি তা অনুমোদন করবো না। যেটা আমার দেশের কাজে লাগবে, মানুষের কাজে লাগবে আর যে প্রকল্প শেষ করলে পরে তার থেকে দেশ কিছু লাভবান হবে, মানুষ লাভবান হবে, আমাদের উপার্জন হবে সেভাবেই যেন পরিকল্পনা করা হয়। এটাই আমার কাম্য।
অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত প্রকৌশলীদের যৌক্তিক দাবিগুলো দেশের উন্নয়নে তাদের অবদানের কথা মাথায় রেখেই তিনি যাচাই বাছাই পূর্বক পূরণের ব্যবস্থা নেবেন বলেও আশ্বাস দেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বিত্তশালীরা কেবল নয়, আমি চাই আমার রিকশাওয়ালা, সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষসহ দিন মজুররাও ফ্লাটে থাকবে। আমার প্রত্যেকটি কাজ হচ্ছে এই তৃণমুল মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। একথা মাথায় রেখেই আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করবেন। দেখবেন নিজেদেরও ভালো লাগবে।
জাতির পিতার কন্যা বলেন, আমরা প্রত্যেকটা পদক্ষেপ নিচ্ছি বাংলাদেশকে আর্থ-সামাজিক উন্নতি করে উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে। সেখানে মূল চালিকা শক্তি হবে আমাদের প্রকৌশলী বৃন্দ। কাজেই আপনাদের ভালোমন্দ দেখার দায়িত্ব আমাদের। সেটা আমরা করবো।
তথ্য ও ছবিঃ সৌজন্যে ইন্টারনেট
আরশিকথা বাংলাদেশ সংবাদ
১১ই মে ২০২৪