" একটা বাঘ বাচ্চার গল্প বলি শুনুন।" গল্পের প্রথম লাইনটা ট্রেন থেকে নেমে যাত্রীদের গুঁতো খেতে খেতে মোবাইলের নোটপ্যাডে টাইপ করে ফেলেছিল হরিলাল।
ব্যাপারটা বিশদে বলি।
হরিলাল শান্ত শিষ্ট পত্নিনিষ্ঠ ভদ্রলোক। সত্যিই ভদ্রলোক। বাড়ি আর অফিস। অফিস আর বাড়ি। সহজ সরল পাটিগণিতের অংকের চেনা সরলরেখায় নিত্যদিনের অনেকটা সময়ের চলা ফেরা। অফিসের সময়টুকু বাদ দিলে বাকি সময়টা সোশ্যাল মিডিয়ায় সাঁতার কাটা। কারণ আছে। শিখতে চায় হরিলাল। জানতে চায় হরিলাল। জানাতে চায় হরিলাল। এই মাত্র আম্বিশন। নেটিজেনদের বিভিন্ন লেখা পড়ে সমৃদ্ধ হয় আর আফশোস করে। হরিলালের ইচ্ছে যায় সেও কিছু লিখবে। সমাজের ক্ষতগুলির নিরাময়ের উপায়, সে বিষয়ে নিজের ভাবনা নেটিজেনদের সামনে ভাসিয়ে দিয়ে নেট-পাড়ার একজন গণ্যমান্য পার্সোনালিটি হয়ে উঠবে।
সমস্যা হলো কি নিয়ে লিখবে? বহুল চর্চিত বিষয় চর্বনে সময় নষ্ট না করে নতুন কিছু ভাবনা সামনে আনা চাই। দুই একটি বিষয় নিয়ে ভাবতে চেষ্টা করে পিছিয়ে আসতে হয়। কারণ সেই বিষয়ে কেউ না কেউ আলোকপাত করেছে। ফেসবুকে লোকজন কত কত বিচিত্র বিষয় নিয়ে লেখে, তাদের পড়াশোনার বহর দেখে অবাক হয় হরিলাল। মাইকেল জ্যাকসন থেকে মাইকেল এঞ্জলো। প্রীতি জিন্টা থেকে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। পুনম কুমার সাউ থেকে পুনম ধীলো। সুনীল গাভাস্কার থেকে সুনীল গাঙ্গুলি, মানে কোনো বিষয় বাদ নেই। পৃথিবীর বুকে ঘটে যাওয়া যেকোনো ম্যাটার নিয়ে নিমেষের মধ্যে কত বলিষ্ঠ মতামত ছুঁড়ে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ার লেখকরা সেই ভেবে অবাক হতে হয়! হরিলালের ইচ্ছে যায় সেও একজন গুণী নেটিজেন হবে। লেখালিখি করেই হবে। লেখার কনটেন্ট খুঁজে পেতে চেয়ে মনে মনে অশান্ত হয়। হাতের কাছে কিছুই পায় না, সেটাই আফসোসের কারণ। অবশেষে সেই সুদিন এলো। সুদিন বলটা ভুল হলো, দুর্দিন বলা-ই ভালো।
ব্যাপারটা বিশদে বলি।
হরিলালের অফিসে এক ম্যাডাম ট্রান্সফার হয়ে এসেছে মাস দুয়েক হলো। বয়সে হরিলালের থেকে তিন চার বছরের ছোটো বলেই মনে হয়। মহিলাদের বয়সতো আর জিজ্ঞাসা করা চলে না, সবটাই আইডিয়া করে নেওয়া। তবে বয়স নিয়ে বেশি ভাবে না হরিলাল। ভাবে ম্যাডামের কাজের প্রতি ভালবাসা নিয়ে। মুখ বুজে কাজ করে যায় সারাদিন। প্রয়োজন ছাড়া কথা নেই মুখে। দুই এক কথায় কাজ মিটিয়ে নেয়। ম্যাডাম কথা কম বলে, সেই নিয়ে অফিসে সহকর্মীদের থেকে নানা কথা শোনে হরিলাল। এ কেমন ম্যাডাম! কাজ আর কাজ! গল্প নেই কোনো! অভিযোগ এমন-ই। হরিলালের সে নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই, বরং স্বল্পভাষী মহিলাকে ভালোই লাগে। সেই কথাটাই বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে বলে একদিন। কথায় কথায় ম্যাডামের প্রসঙ্গ আসে। ভালোলাগার কথা অকপটে বলে হরিলাল। ব্যস! বাড়িতে আগুন লাগে সেই দিনই। শুরু হয় মানসিক নির্যাতন। মন ঝলসে দেওয়া বাক্যবাণ। খেয়ে ঘুমিয়ে শান্তি নেই। বিধ্বস্ত হরিলাল। এমন সমস্যা যে আসতে পারে কল্পনাতেও আসেনি। মুষড়ে পড়েছে ভীষন। তবে সমস্যা যখন আছে তার সমাধান নিশ্চয় আছে।" এভরি প্রবলেম হ্যাস এ সলিউশন অলদো..." কোথায় যেনো পড়েছিল হরিলাল। অতএব টোল খাওয়া মন নিয়ে ভাবনার শুরু। মন-সমুদ্র মন্থন এবং সন্দেহ-অমৃত প্রাপ্তি। " সন্দেহ", সে নিয়ে গভীরভাবে আলোকপাত করার ইচ্ছে জাগে। দাম্পত্যে সন্দেহ এক ভয়াবহ ব্যাধি। তবে সে নিয়ে কথা বলতে লজ্জা পায় লোকে। অথচ হাজার হাজার মানুষ পুড়ে যাচ্ছে এই আগুনে। পথে ঘাটে কত কথাই কানে আসে। অতএব কিছু একটা লিখতেই হয়। সন্দেহ-র সমাধান চাই। নজর ফেলে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেট পাড়ার লোকে জানে না এমন বিষয় মহাবিশ্বে নেই। সমাধারের অন্বেষণ। রাতদিন গুণীজনদের লেখা পড়া। হঠাৎ আশার আলোর ঝলক। গল্পের প্রথম লাইনের জন্ম।
ব্যাপারটা বিশদে বলি।
সেদিন অফিসে যাচ্ছে হরিলাল। প্রাণে যন্ত্রণা। মনে সন্দেহ নিরাময়ের ভাবনা। ট্রেনে উঠে বুঁদ হয়ে পড়ছে বিভিন্ন পোস্ট । হঠাৎ মোবাইল স্ক্রীনে এলো সেই লেখাটা। " আমার যন্ত্রণা"। থমকে দাঁড়ায় হরিলাল । " যন্ত্রণা" শব্দটা বাধ্য করলো স্ক্রল করা থামাতে। পড়তে থাকে লেখাটি। এক মহিলা। অফিসে চাকরি করেন। যাতায়াত ট্রেনে। সহযাত্রী ও সহকর্মী নিয়ে সুখেই ছিলেন। হঠাৎ করে কালবৈশাখী ঝড় আসে জীবনে। ভদ্রমহিলার স্বামীর মনে সন্দেহের হাজার বুদবুদ ওঠে। স্ত্রী কোনো এক সহযাত্রীর সঙ্গে গোপন সম্পর্ক রেখে চলে, স্বামীর ধারণা। এই নিয়ে সৃষ্টি হয় ভীষন অশান্তি। অভিযোগ শুনে সেই মহিলা যাতায়াতের ট্রেন বদলে ফেলেন। স্বামীর ভাবনা বদল হয় না। তারপর অফিস বদল। বাড়ির পরিস্থিতি একই থাকে। একদিন নামে চরম বিপর্যয়। অফিস থেকে বাড়ি ফিরে মহিলা শোনেন, " বেরিয়ে যাও এই মুহূর্তে। যাকে ভালোলাগে তার সঙ্গে থাকো!"
স্বামীকে বোঝানোর সমস্ত আয়োজন বিফলে যায়। মহিলা এখন একলা থাকেন। "... তবে কি জানেন একলা আছি ঠিকই অন্য সমস্যা এসেছে আরো তবে সন্দেহ বিষয়টা একেবারেই নেই।" নাকের বদলে নরুণ ! মন্দ কি। ইউরেকা। লাফিয়ে ওঠে হরিলাল। সমাধান মিলেছে। সন্দেহ সমূলে নির্মূল হবে এইবার। বিশল্যকরণী মিলেছে। স্ত্রীকে নিজের থেকে দূরে রেখে দিলে সন্দেহ বাতিকতার হাত থেকে নিস্তার মিলবে নিশ্চিত, সংসারে শান্তি অবধারিত। এক্কেবারে ইউনিক মতবাদ। ভেবে ভালোলাগে হরিলালের। একটা ফান্ডামেন্টাল কন্ট্রিবিউশন রাখতে চলেছে নেটিজেনদের সামনে। নিজের যন্ত্রণাময় জীবন কাহিনী এই ঘটনার উপর ভিত্তি করেই লিখবে হরিলাল। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সন্দেহের বিষ আজ প্রায় সর্বত্র। সমাধান নিয়ে সুস্পষ্ট ভাবে কেউ কিছুই বলেনি , এ যেনো জীবনের একটা অবশ্যম্ভাবী পরিণতি বলেই মেনে নিয়েছে লোকে। আর নয়। নেট পাড়ার লোকেদের জানাবে নিজের ভাবনার কথা। গল্পের ফর্মে বললে কদর মিলবে তাই কাহিনী গড়তে হবে। স্ত্রীর থেকে দূরে চলে যাবে হরিলাল, অবশ্যই কাহিনীতে। সে কাজে মনের জোর চাই। নিজেকে বাঘ বাচ্চা মনে হয়। ইতিমধ্যে ট্রেন ঢুকেছে হাওড়ায়। প্রথম লাইনটাও মাথায় এসেছে। প্লাটফর্মের ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়েই মোবাইলে টাইপ করে ফেলে হরিলাল " একটি বাঘ বাচ্চার গল্প বলি শুনুন।"
এরপর কি লিখবে? ভাবনার শুরু। যাই লিখতে যায় হোঁচট খেতে হয়। স্কুল লাইফে কার মুখে শুনেছিল যেনো হাত থাকলেই লেখা যায় না। বাধ্য হয়ে অফিসের বিভাসবাবুর টেবিলের সামনে আসা। বিভাসবাবু সাহিত্য অনুরাগী মানুষ। লেখালিখি করেন। বই পড়েন সময় সুযোগ পেলেই। হরিলাল তার সমস্যার কথা বলে। গল্প কিভাবে লেখা যায়? সংক্ষেপে মূল্যবান মতামত দেন বিভাসবাবু । মন ভরে না হরিলালের। নমস্য সাহিত্যিকদের লেখা পড়ুন! সে সময় কোথায়! তাছাড়া নেটিজেনরা কি নমস্য নয়? তবে নিজের উপর আস্থা রাখে হরিলাল। লিখে ফেলে এক কাহিনী। সেই মহিলার গল্পকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে অবলাকান্তকে কাহিনীর নায়ক সাজিয়ে পোস্ট করে দেয়। দিন দুয়েকের মধ্যে কমেন্টস সেকশনে শয়ে শয়ে মন্তব্য আসে। উৎসাহ পায় হরিলাল। তারিফ করে অনেকেই। সাবাস সন্দেহের হাত থেকে বাঁচতে অব্যর্থ দাওয়াই, স্ত্রীর থেকে দূরে...।
বিরূপ কথাও কেউ কেউ লিখলো, সে সবে পাত্তা দেয় না হরিলাল। বেশ কয়েকজন অনুরোধ করেছে এটা নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে লিখুন। কথাটা মনে ধরে। নিজের ও অপরের দাম্পত্য জীবনের সন্দেহ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষন করে পরপর বেশ কয়টি কিস্তি লিখে ফেলে হরিলাল। শেষ পর্বে নায়ক অবলাকান্ত স্ত্রীর দেখে দূরে চলে গিয়ে একা থাকছে। স্ত্রী নিজের ভুল বুঝেছে। অবলাকান্ত নিজের স্ট্যান্স বদলাবে না। চলছে ট্যগ অফ ওয়ার। হট কোল্ড ডায়লগ। নেট পাড়ায় কৌতূহল, এরপর কি হয়! চিন্তিত হরিলাল, গল্প আর কতো টানা যায়। পরিণতি তো একটা দেখাতেই হয়। সেটা কিভাবে সম্ভব। রাতের ঘুম উড়ে যায় হরিলালের। ভাবনা আর ভাবনা। সেই সময় বোম পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিরাট এক ঘটনা ঘটে যায়। হাজার হাজার মানুষ চাকরি হারিয়ে পথে নেমেছে। সংবাদ মাধ্যম ঝাঁপিয়ে পড়েছে সেই খবর পরিবেশনে।চাকরি-হারা লোকজন আড়াআড়ি ভাবে দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। একদল বলে আমরা যোগ্য অন্য দলের দাবি যোগ্য তারা। মহামান্য আদালতে গেছে বিষয়টা। অনুরোধ আসে হরিলালের কাছে, আপনার কাহিনীতে এই ঘটনার প্রতিফলন দেখতে চাই। হরিলাল লুফে নেয় বিষয়টা। পরের কিস্তি লিখবে সে নিয়ে। তবে ধারাবাহিক তো, সামঞ্জস্য পূর্ণ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই হয়। শুরু হয় ভাবনা এবং এক ওয়ান্ডারফুল কিস্তি-প্রসব।
বিষয়টা বিশদে বলি।
অবলাকান্তের চাকরি চলে গেছে। জীবনে বিপর্যয়। সেই ঘটনা শুনে মর্মাহত অবলাকান্তের স্ত্রী। ততদিনে তার মনের সন্দেহ ঝাপসা হয়ে এসেছে। এমন সময়ে স্বামীর পাশে দাঁড়াতে চায়। চাইলেই তো হয়না। অবলাকান্ত এই যন্ত্রণার মধ্যেও সেই-যন্ত্রণা ভোলেনি। স্ত্রীর অপমান আজও ট্যাটু হয়ে রয়ে গেছে বুকে। একদিন অবলাকান্তের স্ত্রী এসে ভুল স্বীকার করে। থাকতে চায় এক ছাদের তলায়। মিলন আসন্ন। পাঠক মহলে খুশির আবির। ধারাবাহিক প্রায় শেষ পর্বে। কিন্তু শেষটা হবে কি ভাবে! সত্যি সত্যি তো আর চাকরি যায়নি হরিলালের। চাকরি হারানোর যন্ত্রণা বুঝবে কিভাবে! ভেরি সিম্পল। লিখতে লিখতে লেখক হিসাবে তার কল্পনার শক্তি ধারালো হয়েছে বেশ। নিজের ভাবনার উপরেও কনফিডেন্ট। ততদিনে সে প্রায়-নেটিজেন। তার ভাবনার কদর আছে ফেসবুক। তাই অবলাকান্তকে সামনের পর্বে অন্য একটা ভালো চাকরি জুটিয়ে দেবে বলে ডিসাইড করে, কনস্ট্রাকটিভ কনসেপ্ট। ব্যাপারটা মিলনান্তকও হবে। খুশি হবে সোশ্যাল মিডিয়ার রিডার্স। কোনো এক গুণীজন প্রশ্ন পাঠান, " যোগ্য অযোগ্যদের কি হবে? গল্পে তার আভাস দিন, অনুরোধ। আপনার ভাবনা বর্তমান দিনের জন্য ভীষন অ্যাপ্রপিয়েট।" পাঠকের কথার মর্যাদা দিতেই হয়। সুতরাং আবার ভাবনা। কি ভাবে বিচার হবে যোগ্য কে কেই বা অযোগ্য! অবশেষে ধন্বন্তরি দাওয়াই ডিসকভারি।
বিষয়টা সংক্ষেপে বলি।
শেষ পর্বের শেষ প্যারাতে হরিলাল লেখে, " যোগ্য অযোগ্য বিষয়ে মহামান্য আদালত-ই শেষ কথা বলবেন। আদালতের উর্দ্ধে কেউ নয়। তবে আমার জ্ঞান বিবেক বিচার বুদ্ধি বিবেচনা যুক্তি ধারণা বাস্তব বোধ সমাজ চিন্তা কাজে লাগিয়ে এবং একজন নেটিজেনের ভাবনার জায়গা থেকে একটা উপায় খুঁজে পেয়েছি। যারা চাকরি হারিয়েছেন তারা বিভিন্ন ধর্মের মানুষ। তাদের প্রত্যেককে আলাদা আলাদা ভাবে ডাকা হোক। যিনি যে ধর্মের মানুষ তাকে সেই ধর্মের ধর্মগ্রন্থ-এর উপর হাত রেখে বলতে বলা হোক তিনি যোগ্য নাকি অযোগ্য। তাহলেই দুধ কা দুধ পানি কা পানি ক্লিয়ার হয়ে যাবে। কারণ আমাদের দেশে আর যাই হোক ধর্ম নিয়ে বেসাতি হয় না। আমাদের দেশে ধর্ম বিক্রি হয় না। ধর্ম জাতির মেরুদণ্ড।" ধারাবাহিক শেষ।
এমন সলিউশন দেখে পড়ে সাবাস সাবাস বলে ওঠে নেট দুনিয়ার বিদ্ধানরা। সত্যি এতদিনে আরো একজন যুক্তিবাদী নেটিজেনদের আত্মপ্রকাশ ঘটলো। খুশি হরিলাল। " দেশের সীমান্ত উত্তপ্ত, সেই নিয়ে আপনার লেখা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম হরিলালবাবু।" সকাল বেলায় কমেন্ট সেকশন খুলেই চোখে পড়ে লেখাটা। মনে মনে আনন্দ ছেয়ে আসে। " কি ব্যাপার সাত সকলেই এক মুখ হাসি! সেই ম্যাডাম কোনো..." স্ত্রীর কথা গুলো তীরের ফলার মতো এসে বেঁধে বুকে তবুও...।
সংসারে সন্দেহের আগুনে পুড়ে দগ্ধ হয়েও এক অশেষ তৃপ্তির বলয় ঘিরে রাখে হরিলালকে। সোশ্যাল মিডিয়ার একজন গণ্যমান্য মানুষ সে। এক নামে সবাই চেনে তাকে। একি কম পাওয়া! আজ হরিলাল একজন রিয়েল নেটিজেন। এইবার সীমান্ত সমস্যা নিয়ে একটা জবরদস্ত মতামত রাখতে প্রস্তুত করতে হবে নিজেকে। আর যাইহোক সমস্যা দেখলে তো আর বসে থাকা যায় না। তখন হাতে কলম ধরতেই হয়। সরি ভুলো বলা হলো, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখতেই হয় আফটার অল একজন সচেতন মানুষ...।
ডঃ নিতাই ভট্টাচার্য
পশ্চিমবঙ্গ
আরশিকথা সাহিত্য
২৬শে জুন ২০২৫