বরিশালের বুকে ধানের দেশের কোলে
নীরব ভোরে জন্ম নিল এক ফুটফুটে ছেলে।
তারিখটা ছিল ১৮৯৯ ফেব্রুয়ারির সতেরো —
ইতিহাসে জেগে ওঠা এক আধুনিক কবির বসন্ত।
সত্যানন্দ দাশ ছিলেন পিতা
মাতা কুসুমকুমারী,
শিক্ষায় দীক্ষায়
ছেলেকে শিখিয়েছেন রকমারী।
নাম রাখা হয় — জীবনানন্দ দাশ,
জীবন আলো ছায়া পরাশ।
নদী, মাঠ, ধানখেত কত অপরূপ!
তাঁর কবিতায় আঁকা রূপসী বাংলার রূপ।
শৈশব কেটেছে ধানের মেঠো গন্ধে,
নগর নয়, গাঁয়ের ঘ্রাণ ছিল তার অন্তরবন্দে।
কলকাতায় পড়াশোনা বিদ্যাসাগর কলেজে,
প্রেসিডেন্সির ছায়ায়, সাহিত্যে তার রত্নদীপ জ্বলে।
মানুষটি ছিল একা, নিভৃত সত্তার বাঁকে,
শব্দে নয়, নীরবতায় বলত জীবনের ডাকে।
পথের ধারে, পাখির ডাকে, সন্ধ্যার দীপ্ত চাঁদে,
সে খুঁজত আপন জীবন, বাংলার নিভৃত বাঁধে।
- দীপেন নাথশর্ম্মা
খোয়াই, ত্রিপুরা
২৪ আগস্ট ২০২৫
ছবিঃ সৌজন্যে ইন্টারনেট


