নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
শনিবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পিএস নরসিংহ
এবং বিচারপতির জয়মাল্য বাগচীর বিশেষ বেঞ্চে গণনা কর্মী হিসাবে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের
ব্যবহার বিষয়ক মামলার শুনানি হয়। তৃণমূলের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি
আদালতে বলেন, “গত ১৩ই এপ্রিল জেলা নির্বাচনী
আধিকারিকদের নির্দেশিকা পাঠায় নির্বাচন কমিশন। তাতে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরাই
ভোটগণনা কেন্দ্রে কাজ করবেন। তবে এই বিজ্ঞপ্তির কথা আমরা জানতে পারি ২৯শে এপ্রিল। কমিশন
আশঙ্কা করেছে অশান্তি হতে পারে। কেন এই আশঙ্কা করা হচ্ছে? প্রতি গণনা টেবিলে মাইক্রো অবজারর্ভার হিসাবে
একজন করে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী রয়েছেন। নতুন করে কেন কেন্দ্রীয় কর্মী রাখার প্রয়োজন?
রাজ্য সরকারি কর্মীদের কেন রাখা হবে না?” সিব্বলের
যুক্তি, এভাবে পরোক্ষে রাজ্য সরকারের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। কেন
এমন একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।তবে কমিশনের তরফে দাবি
করা হয়, ‘‘গণনায় রিটার্নিং অফিসারের সর্বোচ্চ ক্ষমতা রয়েছে। তিনি রাজ্য সরকারের ক্যাডারেরই
আধিকারিক। তাছাড়া, প্রত্যেক প্রার্থীর নিজস্ব কাউন্টিং এজেন্ট গণনায় থাকবেন। তাই মামলায়
যে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’’উভয় পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার
পর বিচারপতিরা তৃণমূলের আর্জি খারিজ করে দেয়। বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ, কেন্দ্র বা রাজ্য
সরকারি আধিকারিকদের আলাদা হিসাবে দেখা উচিত নয়। তারা সকলেই সরকারি আধিকারিক। তাই কমিশনের
এই নির্দেশিকাকে ‘বিধি বিরোধী’ বলা চলে না। সুতরাং আগামী ৪ঠা মে কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকদের কড়া নজরদারিতেই রাজ্যের ২৯৪টি
আসনের প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে।এখন সেই দিকেই তাকিয়ে সকলে।
akb tv news
02.05.2026

