নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
বাংলার ভবানীপুর বিধানসভার গণনা কেন্দ্রের
সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। সংরক্ষণ করে রাখতে হবে
সমস্ত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট। আদালতের নির্দেশ ছাড়া কোনও তথ্য মুছে ফেলা যাবে না বলেও
নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের এজলাসে এই সংক্রান্ত
মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে সবপক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে এই নির্দেশ দেন বিচারপতি গৌরাঙ্গ
কান্ত। আগামী দু’মাস পর ফের এই মামলার শুনানি
হাই কোর্টে।এদিন শুনানিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী
তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, ১২ রাউন্ড পর্যন্ত ৭৮০০ ভোটে
এগিয়েছিলেন ভবানীপুরের তৃণমূলের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর জোর করে তৃণমূলের
কর্মী এবং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। এরপরই ৮১ শতাংশ ভোট পান বিজেপি প্রার্থী তথা
রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই প্রসঙ্গে নন্দীগ্রামের ঘটনাও এদিন
মামলায় তুলে ধরেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, একই রিটার্নিং অফিসার
গত ২০২১ সালের নন্দীগ্রামের নির্বাচনের সময় ছিলেন। হঠাৎ করেই তাঁকে ভবানীপুরে নিয়ে
আসা হল। পুরো ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আইনজীবী। শুধু তাই নয়, ওই রিটার্নিং অফিসার
বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের যুগ্ম সচিবের দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে সন্দেহের যথেষ্ট কারণ রয়েছে বলেও আদালতে সওয়াল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
আইনজীবীর। প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের নির্বাচনে
ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রায় ১৫ হাজারের বেশি ভোটে তাঁকে হারিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী এখন শুভেন্দু অধিকারী।
সেই নির্বাচনী ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেন ভবানীপুরের
পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী মমতা। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটেও নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে
মমতাকে হারান শুভেন্দু। সেই বারও নির্বাচনী ফলকে চ্যালেঞ্জ করে ইলেকশন পিটিশন দাখিল
করেছিলেন মমতা। সেই মামলা এখনও বিচারধীন। এরই মধ্যে এবার ভবানীপুরের ভোটের ফলকে চ্যালেঞ্জ
করে একই পথে হেঁটেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
akb tv news
23.06.2026

.jpg)