গত তেসরা মে
ডাক্তারির সর্বভারতীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া পরীক্ষায় বসে। কিন্তু
সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই প্রকাশ্যে আসে প্রশ্নফাঁসের খবর। তাই বাধ্য হয়ে পরীক্ষা
বাতিল করে এনটিএ। হতাশায় বহু পড়ুয়া আত্মঘাতী হন। দেশজুড়ে দাবি ওঠে, পদত্যাগ করুন
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। কিন্তু তিনি নিজের অবস্থানে অনড়।
ধর্মেন্দ্রর ইস্তফা দাবি করে ২৪ দিন ধরে অনশন করছেন লাদাখের শিক্ষাবিদ সোনম।
সোমবার সংসদ অভিযানে শামিল হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির লক্ষাধিক সদস্য। কিন্তু
এতকিছুতেও নিট নিয়ে একটিও শব্দ খরচ করেননি প্রধানমন্ত্রী।অবশেষে নিটকাণ্ডের নিন্দা
শোনা গেল প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে। মঙ্গলবার এনডিএর সংসদীয় বৈঠক ছিল। সেখানেই নরেন্দ্র
মোদি বলেন, প্রশ্ন ফাঁসটা ঘোর পাপ হয়েছে। তবে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই
সরকার পদক্ষেপ করেছে। যুব সমাজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করাটা সরকারের দায়িত্ব। ১৩ জন
অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই জেলে পাঠানো হয়েছে। নরেন্দ্র মোদির কথায়, এই নিয়ে ইস্যু নিয়ে
রাজনীতি করা উচিত নয়। সংসদীয় মন্ত্রী
কিরেণ রিজিজুও বলেন, নিট পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবেই নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী, সেটাই করা হচ্ছে বলে
জানান রিজিজু। প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে প্রথম থেকে সুর চড়িয়েছিলেন রাহুল গান্ধী।
রাজস্থানে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে সেটাও তিনি প্রকাশ্যে আনেন। এক্স হ্যান্ডেলে গোটা বিষয়টি নিয়ে আবারও ক্ষোভ উগরে
দিয়ে রাহুল গান্ধী লেখেন, ‘২০২৪ সালে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছিল, পরীক্ষা বাতিল হয়নি।
মন্ত্রীও পদত্যাগ করেননি। কমিটি গঠন হল। আবার এবছর প্রশ্ন ফাঁস হল। সিবিআই তদন্ত
হচ্ছে, আবার একটা কমিটি গঠন হবে। কিন্তু মিস্টার মোদি, দেশবাসী আপনাকে কিছু প্রশ্ন
করছে। কেন বারবার প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে? প্রশ্নপত্র নিয়ে আপনি কেন সবসময় চুপ করে
থাকেন? বার বার ব্যর্থ হওয়া সত্ত্বেও কেন আপনি শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করছেন না?’
মঙ্গলবার নিট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী অবশেষে মুখ খুলেছেন। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রীকে
বরখাস্ত করা হবে কিনা, সেই নিয়ে কিছুই বলেননি তিনি।
akb tv news
21.07.2026

