নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
এখন বেকায়দায় তৃণমূল।
আসল তৃণমূল কারা? এই প্রশ্নের জবাবে গত সোমবারই নির্বাচন কমিশনে নিজেদের অবস্থান
জানিয়ে দিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তবে ঋতব্রত তৃণমূলের তরফে নির্বাচন কমিশনের কাছে
নথি জমা দেওয়ার জন্য আরও খানিকটা সময় চাওয়া হয়েছিল। তথাকথিত ‘আসল তৃণমূল’কে সেই
সময় দিল কমিশন। আগামী ১০ই জুলাই পর্যন্ত ঋতব্রতদের সময় দেওয়া হল, নিজেদের দাবির সমক্ষে নথি দেওয়ার
জন্য। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, সোমবার নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর
ই-মেলের মাধ্যমে ঋতব্রত শিবিরকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ১০ই জুলাই
পর্যন্ত তারা নিজেদের বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে পারবে। প্রসঙ্গত, গত
সপ্তাহে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল এবং
উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন
গোষ্ঠী-দু’পক্ষকেই চিঠি দিয়ে সংগঠনগত নির্বাচন, অনুমোদিত স্বাক্ষরকারী এবং দলের
উপর দাবি-দাওয়া সংক্রান্ত কীসের ভিত্তিতে, অভিযোগের বিষয়ে লিখিত জবাব চেয়েছিল
নির্বাচন কমিশন। সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে সেই জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশ
ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির নির্বাচন
কমিশনের কাছে নিজেদের বিস্তারিত জবাব জমা দেয়। সেই জবাবে ঋতব্রত শিবিরের সমস্ত
দাবি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রের খবর। অন্যদিকে, ঋতব্রত শিবিরের
তরফে এক আইনজীবী কমিশনে গিয়ে অতিরিক্ত সময়ের আবেদন জানান। তারপরই কমিশনের পক্ষ
থেকে ই-মেলের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়, ১০ই জুলাই পর্যন্ত সময় বাড়ানো হচ্ছে। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন
সূত্রের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব পাওয়ার পরই দুই পক্ষের দাবি, পাল্টা
দাবি এবং জমা পড়া নথি খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। উল্লেখ্য,
গত সপ্তাহেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার-সহ পূর্ণাঙ্গ কমিশনের সামনে ঋতব্রত
বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেছিল। সেই
বৈঠককে ঘিরে আপত্তি জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির অভিযোগ তোলে, স্বীকৃত
রাজনৈতিক দলের অনুমোদিত প্রতিনিধির বাইরে অন্য পক্ষকে শুনানির সুযোগ দিয়ে কমিশন
নিজেদের প্রচলিত প্রক্রিয়া থেকেই সরে এসেছে। তারপর দু’পক্ষের বক্তব্য জানতে চাই
কমিশন।
akb tv news
08.07.2026

.jpg)