শহর আগরতলায় রাস্তাঘাট ও ড্রেনের বেহাল অবস্থা। সব কটি রাস্তার অবস্থা খারাপ। শহরের প্রাণকেন্দ্রে কয়েকটি রাস্তার যা-ও সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছিল সেগুলি অসমাপ্ত হয়ে আছে। তুলনামূলক হরিগঙ্গা বসাক রোড ও আখাউড়া রোড ভালই ছিল। সেই রাস্তাগুলির কার্পেটিং তুলে পুনরায় পিচ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু তা মাঝপথে বন্ধ রাখা হয়।
রাস্তার উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে পাথর , ইটের টুকরো । আগের তুলনায় রাস্তার প্রস্থ কমিয়ে আনা হয়েছে। তাও রাস্তার মাঝ বরাবর পিচ যুক্ত পাথর না দিয়ে ডিভাইডার সৃষ্টি করায় দুই দিকের রাস্তা আরো সরু হয়ে পড়েছে। দুই পাশেই রাস্তা অনেকটা সংকীর্ণ হয়ে পড়ায় কম গতিতে চলা যানবাহনগুলিকে অন্যান্য গাড়িগুলি অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যেতে পারছে না।
শহরবাসীর দাবি ছিল বর্ষার মরশুমের আগে যেন রাস্তাঘাট সংস্কার করা হয়। কিন্তু তা হয়নি। এদিকে হরিগঙ্গা বসাক রোড ও আখাউড়া রোডের চাইতে শহরের অন্যান্য রাস্তাগুলির অবস্থা খুবই খারাপ। ড্রেনের কাজের দরুণ কিছু রাস্তা ভেঙেছে। কিছু রাস্তা নির্দিষ্ট সময়ে সংস্কার না করায় ভাঙছে। কিছু রাস্তা আবার বর্ষায় মেটেলিং কার্পেটিং উঠে গিয়েছে। অথচ এই রাস্তাগুলি সংস্কার করা খুবই জরুরী ছিল।
এখন ভরা বর্ষার মরশুম চলছে। বন্ধ রয়েছে শহরের রাস্তা সংস্কারের কাজ। আর এতে দুর্ভোগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের। শহরবাসীর অভিযোগ যে রাস্তাগুলি সংস্কার করা জরুরি ছিল সেগুলি করা হয়নি। আর যে রাস্তাগুলির আপাতত সংস্কারের দরকার ছিল না সেগুলির কাজে হাত দেওয়া হয়েছে।
শহরের বিভিন্ন রাস্তায় বড় বড় গর্ত, কোথাও ইট-পাথর ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এর ছোট যানবাহনের চালকদের সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ঘনঘন যানবাহনে ত্রুটি বিচ্যুতি দেখা দিচ্ছে। শহরবাসী চাইছেন দ্রুত যেন শহরের রাস্তাঘাট সংস্কার করা হয়। সেইসঙ্গে সময়ের তাগিদে রাস্তাঘাট চওড়া করার দাবি উঠেছে। তাতে স্বাচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারবে যানবাহন। সুবিধা হবে পথচারীদেরও।
শহরের প্রায় সব কটি রাস্তাতেই দেখা যায় কভার ড্রেন ও রাস্তার মাকে অনেকটা জায়গা ফাঁকা পড়ে থাকছে। সেই জায়গাটুকু ব্যবহার করে ইচ্ছা করলে রাস্তার প্রস্থ বাড়ানো যেতে পারে। এক কথায় সমস্যা অনেক। আগরতলা পুর নিগম কতৃপক্ষ কি পদক্ষেপ নেয় সেদিকেই নজর শহরবাসীর।
আরশিকথা ত্রিপুরা সংবাদ
ছবিঃ সৌজন্যে ইন্টারনেট
১১ই জুলাই ২০২৬

.jpg)