টানা দু-তিন দিনের প্রবল বর্ষণে খোয়াই নদীর জল ফুলেফেঁপে উঠছে। আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বন্যার। নদীর জল নিন্মাঞ্চলের বাড়িগুলিতে প্রবেশ করায় মাইকযোগে সংশ্লিষ্ট জনগণকে শেল্টার হাউসে আশ্রয় নিতে বলা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত সাতটি শেল্টার হাউস চালু করেছে তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদ কর্তৃপক্ষ।
খোয়াই শহরের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত। তেলিয়ামুড়া পুরপরিষদ এলাকার নদীতীরবর্তী বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে ইতিমধ্যেই বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে তেলিয়ামুড়া পুরপরিষদের চেয়ারম্যান রূপক সরকার এবং ডেপুটি সিইও প্রদীপ কুমার সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি পরিদর্শন করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। তেলিয়ামুড়া মহকুমা প্রশাসনের দুর্যোগ মোকাবিলা দল এবং অগ্নিনির্বাপক ও জরুরি পরিষেবা দপ্তরকে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এদিকে ভারী বর্ষণের ফলে খোয়াই জেলা সদর শহরের সুভাষ পার্ক রাধা কৃষ্ণ মন্দির ও অফিসটিলা জাম্বুরা সড়ক সংলগ্ন এলাকাতে আজকের ভারী বর্ষণে জল জমে বেহাল অবস্থা পরিণত হয়েছে। এমনিতেই রাধা কৃষ্ণ মন্দির সংলগ্ন এলাকাটি নিম্ন অঞ্চল, জল নিকাশি এতটুক হেরফের হলে জল জমে যায়। অন্যদিকে ভারী বর্ষণের ফলে রাস্তার দুই পাশে প্রচুর জল জমে গেছে। এই জল জমে যাওয়া কারণে নাজাহাল হতে হচ্ছে ব্যবসায়ী, এই এলাকাতে বসবাসকারী জনগণ এবং এই রাস্তা ধরে চলাচল করা জনগণকে। সব মিলিয়ে বেহাল অবস্থা পরিণত হয়েছে খোয়াই সুভাষ পার্ক রাধা কৃষ্ণ মন্দিরের সংলগ্ন এলাকা।
আরশিকথা ত্রিপুরা সংবাদ
৮ই জুলাই ২০২৬

.jpeg)

.jpeg)



.jpeg)
.jpeg)
.jpeg)
.jpeg)