নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
বিপদ
বাড়ল ভারতেরও। নেপালের হড়পা বানের থাবা এসে পড়ল ভারতে। ইতিমধ্যেই বিহার এবং
উত্তরপ্রদেশে একাধিক নদীর জলস্তর বাড়ছে বিপজ্জনকভাবে। এই রাজ্যগুলিতে জারি হয়েছে
হাই অ্যালার্ট। সবমিলিয়ে, নেপালে বিপর্যয় ঘটলেও ভারতের কপালে চিন্তার ভাঁজ। বাড়ছে
প্রশাসনের সক্রিয়তাও।নেপালে রেকর্ড বৃষ্টিপাত এবং কোশী ও ত্রিশূলী নদীর প্লাবনে
ভারতে গণ্ডক নদীতে তীব্র জলস্ফীতি দেখা দিয়েছে। এর থেকে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতিতে
বিহার ও উত্তরপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় জারি করা হয়েছে লাল সতর্কবার্তা। বিপদ
এড়াতে ইতিমধ্যেই বিহারের পশ্চিম চম্পারণ এলাকা থেকে প্রায় ৫ হাজার মানুষকে নিরাপদ
স্থানে সরিয়ে নিয়ে গেছে স্থানীয় প্রশাসন।নেপালের দেবঘাটে নারায়ণী নদী বিপদসীমার
আড়াই মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইসঙ্গে ভারতীয় সীমান্ত থেকে ১৬০ কিমি দূরে
অবস্থিত ফুরকে খোলায় ত্রিশূলী নদীর জল বিপদসীমা ছাড়িয়েছে, যা গণ্ডকে মিশে
পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাচ্ছে।পরিস্থিতি সামাল দিতে বাল্মীফি নগরের গণ্ডক
ব্যারেজের ৩৬টি গেটই খুলে দেওয়া হয়েছে।পূর্বে এই ব্যারেজ দিয়ে ৮০ হাজার কিউসেক জল
ছাড়া হলেও সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের তথ্য অনুযায়ী তা দ্রুত বেড়ে ২ লক্ষ ৫০ হাজার
কিউসেকে পৌঁছতে চলেছে।বিহারের পশ্চিম চম্পারণ, পূর্ব চম্পারণ, গোপালগঞ্জ, সরণ,
মুজাফফরপুর, বৈশালী, সীতামারি ও সেওহারের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের মহারাজগঞ্জ ও
কুশিনগরে লাল সতর্কবার্তা জারি রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একযোগে ময়দানে নেমেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, জলশক্তি
মন্ত্রক এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।
akb tv news
27.08.2026.
ছবি-নেট থেকে সংগৃহীত।

