নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদে কথিত বে-আইনি নিয়োগের অভিযোগে
দায়ের করা দুটি জনস্বার্থ মামলায় হাই কোর্টে
বড়সড় ধাক্কা খেল এডিসি প্রশাসন। মামলায় সরাসরি পক্ষভুক্ত ছিলেন ১৫ জন। নিয়োগ প্রাপকের
বেতন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। মামলার
পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১লা সেপ্টেম্বর।বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে জনস্বার্থের ওই দুটি মামলার
শুনানি হয়।মামলাকারীদের অভিযোগ, যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে নিয়মবহির্ভূত ও স্বজন পোষণের
মাধ্যমে উপজাতি জেলা পরিষদে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০টি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগ
প্রক্রিয়া সাংবিধানিক ও আইনসম্মত নয় বলেই মামলাকারীদের দাবি।মামলার আবেদনকারীদের আইনজীবী
পুরুষোত্তম রায় বর্মণ জানান, মামলা দায়ের করার
আগে জেলা পরিষদকে নোটিশ দিয়ে নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য ও আইনি ভিত্তি জানতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে
তখন কোনও সন্তোষজনক জবাব দেওয়া হয়নি।এদিন শুনানিতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে একটি হলফনামা
জমা দেওয়া হয়। আইনজীবীর দাবি, ওই হলফনামাতেই এডিসি জেলা পরিষদ স্বীকার করেছে যে সংশ্লিষ্ট
নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদের নিজস্ব নিয়োগবিধি নেই এবং নিয়োগ দেওয়া পদগুলির কোনও অনুমোদিত
‘স্যাংশন পোস্ট’ ও ছিল না। আদালত তাঁদের বেতন প্রদান পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত
বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের বক্তব্য জানানোর সুযোগ দিয়ে আগামী ১লা
সেপ্টেম্বর মামলাটি ফের শুনানির জন্য ধার্য করা হয়েছে বলে আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মণ
জানান।
akb tv news
13.08.2026

