নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ফের গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল দেশের সুপ্রিম কোর্ট। স্বামীর মৃত্যুর দিন থেকেই বিধবার পারিবারিক পেনশন পাওয়ার অধিকার তৈরি হয়। তিনি কবে সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন, তার ভিত্তিতে সেই পেনশন পাওয়ার সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়া যায় না। বিশেষ করে, পেনশন দাবি করতে দেরি করার জন্য যদি বিধবার কোনও দোষ না থাকে, তাহলে স্বামীর মৃত্যুর দিন থেকেই তাঁকে পারিবারিক পেনশন দিতে হবে। এক বিধবার পারিবারিক পেনশন মামলায় এই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি শ্রী চন্দ্রশেখরের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। মামলাটি করেছিলেন মৃত এক রেলকর্মীর স্ত্রী। ওই রেলকর্মী ২০০০ সালে কর্মরত অবস্থাতেই মারা যান। বম্বে হাইকোর্ট তাঁর পারিবারিক পেনশনের দাবি মেনে নিলেও ২০০০ সালের পরিবর্তে ২০১৪ সাল থেকে পেনশন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কারণ, ২০১৪ সালেই প্রথম CAT-এর দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই মহিলা। হাইকোর্টের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যান তিনি। জানা যায়, দাম্পত্য বিবাদের কারণে স্বামী ও স্ত্রী আলাদা থাকতেন। স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর চাকরি এবং পরিষেবা সংক্রান্ত তথ্যও তাঁর জানা ছিল না। এরপর ২০০১ সালে, অর্থাৎ মৃত্যুর পর ওই রেলকর্মীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। সেই বরখাস্তের বিরুদ্ধে বিধবা আবেদন করলেও ২০১২ সালে তা খারিজ হয়ে যায়। আবেদনে দেরি এবং স্বামীর মৃত্যুর তারিখ নিয়ে নথিতে অসঙ্গতি থাকার কারণ দেখানো হয়েছিল। এরপর স্বামীর মৃত্যুর সঠিক তারিখ নির্ধারণের জন্য দেওয়ানি আদালতের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। আদালত ১২ই নভেম্বর ২০০০-কে তাঁর স্বামীর মৃত্যুর সঠিক তারিখ হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর তিনি CAT-র কাছে পারিবারিক পেনশনের দাবি জানান। কিন্তু CAT তাঁর আবেদন সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার কারণে খারিজ করে দেয়। পরে বম্বে হাইকোর্টে যান তিনি। হাইকোর্ট পেনশন দেওয়ার নির্দেশ দিলেও তা ২০১৪ সাল থেকে কার্যকর করার কথা বলে।শীর্ষ আদালতের এই রায়ে খুশি দেশের বিধবা মহিলারা। যাদের স্বামীরা চাকরিজীবী ছিলেন।
Akb tv news
09.09.2026.
ছবি- নেট থেকে সংগৃহীত।

.jpg)