পুরুষের একাগ্রতা ও নিখুঁত অন্যমনস্কতার তীব্র আকর্ষণে আমি মাঝে মাঝে আপনার দিকে তাকাই। অনুচিত। পরপুরুষ। তবু নারী শরীরের প্রতিটি বিন্দুতে মাঝে মাঝে নদী কীর্তনখোলার ভরা জোয়ারের অনুভব। পাগল করে দেয়।
আপনি আমার স্বামীর বাড়ির অফিস সামলান। আমার সমবয়সী।কাজে ডুবে থাকলে হিমালয়।কফি দিলে চুপ।কেন চুপ ? কৌতূহল নেই।হাসি নেই।জানলার দিকে তাকিয়ে ঘড়ি মেপে কফি শেষ করে, আবার কাজে ডুবে যান। বাড়ি থেকে আনা লাঞ্চের বেশ কিছুটা অবহেলায় পড়ে থাকে।
কে সাজিয়ে দেয় লাঞ্চ? নারী ? নারীকে জেনেছেন আপনি?
মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত দেখেছেন?
আমার কৃতি স্বামী আপনাকে নিয়ে কোনো কথা বলে না।আমিও না।
আমার স্বামীকে জানাইনি যে ,আপনাকে আমার তুমি বলে ডাকতে ইচ্ছে করে।
এ সংসারের গৃহদেবতাও জানে না --আপনাকে আমার ছিঁড়ে খুঁড়ে দেখতে ইচ্ছে করে।
আপনার স্তব্ধতার কাছে সম্পূর্ণ পরাজিত আমার গৃহবন্দি নারীত্ব।
এসো প্রার্থিত পুরুষ, তোমার নারীকে ছিনিয়ে নাও।
আরণ্যক বসু
আরশিকথা সাহিত্য
ছবিঃ সৌজন্যে ইন্টারনেট
১লা অক্টোবর ২০২৬

.jpg)