প্রাচীন ভারতীয় লিপিগুলিকে বর্তমান বহু টেকনোলজির উৎস বলা যেতে পারে"--ডঃ শুভ চক্রবর্তী, সাউথ কোরিয়া - আরশি কথা

আরশিকথা ঝলক

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯

প্রাচীন ভারতীয় লিপিগুলিকে বর্তমান বহু টেকনোলজির উৎস বলা যেতে পারে"--ডঃ শুভ চক্রবর্তী, সাউথ কোরিয়া

সাউথ কোরিয়া থেকেঃ মহাভারতের দ্বাপর যুগের শেষে (ব্যাসদেব দ্বারা লিখিত) কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ হয়েছিল। সেই সময় সঞ্জয় গাভালগানি, রাজা ধৃতরাষ্ট্রের রথের সারথি, ওনার উপর দিব্যদৃষ্টির আশীর্বাদ ছিল। এর ফলে উনি বহু দূর থেকেই সব দেখতে পেতেন। এর আগে বহু তথাকথিত শিক্ষিত মানুষেরা মন্তব্য করে গেছেন যে, এগুলো সব কবির কাব্যিক কল্পনা। আসলে বাস্তবে এগুলো সব মরিচিকার মতো। কিন্তু, এই ২০১৯ সালে টেকনোলজি সেই ৩১০০ (বি. সি)- তে বর্ণিত সেই পথেই কিন্তু পা রেখেছে
এবং সেই যুগের মতোই সমস্ত তথ্য জানা এবং পৃথিবীর যে কোন জায়গা থেকে নিজে উপস্থিত না থেকেও বিভিন্ন জিনিষ দেখা,সবই কিন্তু এখন সম্ভব।
স্মার্ট গ্যাজেট (4G ও wifi) এর মাধ্যমে আমরা সামনাসামনি উপস্থিত না থেকেও একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হতে পারি। তাই ভারতীয় লিপিগুলি (ভগবদ গীতা, বেদ, বেদান্ত, উপনিষদ) হলো বিভিন্ন জ্ঞানের উৎস এবং এগুলো খুবই বাস্তব নির্ভর।এখনো বহু কিছু আবিষ্কৃত হয়নি, জানা হয় নি, দেখা হয় নি।
( In the battle of Kurukshetra at the end of Dwapara Yuga in Mahabharatha (written by Vayasa), the great war had taken place between Pandavas and Kauravas. During this Sanjay Gavalgani, the charioteer of Raja Dhritarashtra was bestowed by spiritual vision (Divya drishti) by which he can see the events from the long distance. Previously many so-called educated persons have commented that divine vision is nothing but merely a poetic fancy, which in the practical scenario is just like a mirage. But Today in 2019, technology has successfully footsteps the path explained long back at 3100 BC, and able to develop the system by which anyone can gather the information and watch the incidents from anywhere in the world without the physical presence. Through smart gazettes (4G and WiFi) we can connect to anyone from long distance. So, Indian scripts (Bhagavad Gita, Vedas, Vedanta’s, Upanishad) are source information which is very practical and still, lots of things are undiscovered or not-invented ).


ডঃ শুভ চক্রবর্তী, সাউথ কোরিয়া
Research Professor
Dept. of Nanoscience and Engineering
Inje University,South Korea

অনুবাদঃ প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী, ব্যাংক আধিকারিক,ত্রিপুরা


ছবিঋণঃ ইন্টারনেটের সৌজন্যে 

১৯শে জুলাই ২০১৯

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here