ইউএনও পূরবীর হস্তক্ষেপে রক্ষা পেল মিতু, বাবা-বরের কারাদণ্ড - আরশি কথা

আরশিকথা ঝলক

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৯

ইউএনও পূরবীর হস্তক্ষেপে রক্ষা পেল মিতু, বাবা-বরের কারাদণ্ড

 প্রভাষ চৌধুরী, ঢাকা ব্যুরো এডিটর:
বয়স বাড়িয়ে জন্মনিবন্ধন করে গোপনে বাল্যবিয়ের দায়ে স্কুলছাত্রী মিতু আক্তারের বাবা ও তার স্বামীকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দুইদিনের ব্যবধানে বাল্যবিয়েমুক্ত অভিযানে এ সাজা দেন সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পূরবী গোলদার।
মঙ্গলবার(১২ নভেম্বর) বিকেলে সদরপুর উপজেলার চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চরচাঁদপুর কাজী ডাঙ্গী গ্রামে বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে এ কারাদণ্ড দেন তিনি। করে মিতু আক্তার(১৫)সদরপুর উপজেলার চরবিষ্ণপুর ইউনিয়নের কাজী ডাঙ্গী গ্রামের মো. মিজান কাজীর মেয়ে ও বিশ্বাস ডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী এবং বর একই উপজেলার আকোটেরচর ইউনিয়নের শোনপচা গ্রামের শেখ মান্নানের ছেলে কাতার প্রবাসী শেখ সুজন (৩৫)। এলাকাবাসী জানায়, ১৫ দিন আগে পৌরসভা থেকে কনে মিতুর বয়স বাড়িয়ে কাবিননামা সম্পন্ন করে উভয় পরিবার। এরপর মেয়েকে আনুষ্ঠানিকভাবে উঠিয়ে নেয়ার জন্য মঙ্গলবার(১২ নভেম্বর) কনের বাড়িতে বরযাত্রী নিয়ে হাজির হন বর। এ খবর পেয়ে ইউএনও পূরবী গোলদার ওই কনের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বর সুজন ও কনের বাবা মিজান কাজীকে আটক করেন।
এসময় অপ্রাপ্ত বয়সে মেয়েকে বাল্যবিয়ে দেয়া ও জেনে-বুঝে বাল্যবিয়ে করার দায়ে মিজান কাজী ও সুজনকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত।কারাদণ্ডের পর দুইজনকে ফরিদপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত ছেলের বাড়িতে যাওয়া ও ছেলে-মেয়ে এক জায়গায় থাকতে পারবে না বলে নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পূরবী গোলদার। সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)পূরবী গোলদার বলেন, স্থানীয় ইউনিয়নে জন্ম সনদ না করে ফরিদপুর পৌরসভা থেকে বয়স বেশি দেখিয়ে ভুয়া জন্ম সনদ তৈরি করে ২০দিন আগে কাবিন সম্পন্ন করে। বাল্যবিয়েমুক্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১৩ই নভেম্বর ২০১৯

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here