বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের ‘বাউল উৎসব’ উদযাপন আগরতলায় - আরশি কথা

আরশিকথা ঝলক

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৯

বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের ‘বাউল উৎসব’ উদযাপন আগরতলায়


প্রভাষ চৌধুরী, ঢাকা ব্যুরো এডিটর: বর্ণাঢ্য আয়োজন ও দেশ-বিদেশের বাউল শিল্পীদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় আগরতলায় উদযাপন করা হলো ‘বাউল উৎসব’। বছর শেষে অন্যরকম এ উৎসবের আয়োজন করে আগরতলার বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন। ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার রবীন্দ্রশত বর্ষী ভবনের ১ নম্বর হলে রোববার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে শুরু হওয়া বাউল উৎসব চলে গভীর রাত পর্যন্ত। বাউল উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা বিধানসভার স্পিকার শ্রী রেবতী মোহন দাস, বিশেষ অতিথি ছিলেন আগরতলার মেয়র শ্রী প্রফুল্ল জিৎ সিনহা, ত্রিপুরা বিধানসভার বিধায়ক শ্রী আশিষ কুমার সাহা, বিধায়ক শ্রী দিলীপ কুমার দাস, বিধায়ক ও সাবেক মন্ত্রী শ্রী সুদীপ রায় বর্মন, বিধায়ক শ্রী কৃষ্ণধন দাস, ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য শ্রী অরুনোদয় সাহা, ত্রিপুরা ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান শ্রী টিংকু রায়, ত্রিপুরা চা বোর্ডের চেয়ারম্যান শ্রী সন্তোষ সাহা, মুক্তিযুদ্ধের সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব শ্রী শ্যামল চৌধুরী, শ্রী রাখাল রায় চৌধুরী ও অধ্যাপক মিহির দেব প্রমুখ। অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় বাউল শিল্পী ওস্তাদ সফি মণ্ডল, বাংলাদেশের ফোক যুবরাজ সৈয়দ আশিকুর রহমান (আশিক), লালন কন্যা নাসরিন আক্তার (বিউটি) ও ইদ্রিস আনোয়ার পরান প্রমুখ। বাউল সংগীত পরিবেশন করেন ভারতীয় ক্লাসিক্যাল মিউজিকে গোল্ড মেডিলিস্ট ও দুই বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী শ্রীপর্ণা রায়। এছাড়াও ত্রিপুরা রাজ্যের বিশিষ্ট সংগীত শিল্পীরা গানে গানে বাউল উৎসবকে জমিয়ে তোলেন। এ সময় ত্রিপুরা বিধানসভার বিধায়ক ও সাবেক মন্ত্রী শ্রী সুদীপ রায় বর্মন স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাউল শিল্পীদের সঙ্গে মঞ্চে বাউল গান পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন অনুষ্ঠানস্থল আগরতলার রবীন্দ্র ভবনের ১ নম্বর হলে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। আনন্দ উদ্দীপনায় মুখরিত ভারত-বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিনিময়ের এ বাউল উৎসব এ সময় একখণ্ড বাংলাদেশে পরিণত হয়। অনুষ্ঠান শেষে আগরতলাস্থ বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে অতিথি ও শিল্পীদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।
এ বিষয়ে সহকারী হাইকমিশনার কিরীটি চাকমা আরশি কথাকে বলেন, লোক সংস্কৃতি বিশেষ করে বাউল সংগীত বাংলাদেশের একটি হাজার বছরের ঐতিহ্য। সুজলা-সুফলা নদীমাতৃক বাংলাদেশের এ বাউল সংগীত সমগ্র ভারতবর্ষের সব বাংলা ভাষা-ভাষি মানুষকে আন্দোলিত করে। আবেগ প্রবণ করে তুলে। এ সংগীতের মাধ্যমে চিন্তাশীল মননে অসাম্প্রদায়িকতা, নিজের অস্তিত্ব এবং স্রষ্টাকে খোঁজার এক বিশেষ প্রয়াস পরিলক্ষিত হয়। আমরা বাংলাদেশের মাঠে-প্রান্তরে, গ্রামে-গঞ্জে ভেসে বেড়ানো মূল ধারার বাউল সুর ত্রিপুরাবাসীর কাছে উপস্থাপনের লক্ষ্যে এক বাউল উৎসবের আয়োজন করেছি।
বর্ণাঢ্য এ আয়োজন সফল করার জন্য ত্রিপুরাবাসীসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সিভিল সোসাইটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, আগরতলা মিশনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সব শ্রেণিপেশার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সহকারী হাইকমিশনার। অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার করেন ত্রিপুরা রাজ্যের জনপ্রিয় বাচিক শিল্পী শাওলি রায়।


৩০শে ডিসেম্বর ২০১৯

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here